প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

জামায়াত মেয়রপ্রার্থী দেবে, ক্ষুব্ধ শরীকরা!

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন সিলেট সিটি নির্বাচনে ২০ দলীয় জোটের নেতারা বিএনপির মেয়রপ্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে সমর্থন জানানোর পর পরই জামায়াত বলেছে, তাদেরও সিলেটে মেয়রপ্রার্থী রয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে বিএনপিসহ জোট নেতারা চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। বুধবার বিকেলে গুলশানে আসন্ন তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে।

বৈঠক শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই বের হয়ে যান জামায়াত নেতা আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, ‘সিলেটে মেয়র প্রার্থী দেওয়ার দাবি বিএনপি মহাসচিবকে জানিয়েছি। দেখি তারা কী করেন।’

এলডিপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘তিন সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী জোটের প্রার্থী। জামায়াত ও খেলাফত মজলিশের প্রতি অনুরোধ রইল জোটের স্বার্থে তারা যেন কোনো মেয়রপ্রার্থী না দেন।’ খবর দৈনিক আমাদের সময়’র।

বৈঠকে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি বলেছেন, ‘আন্দোলনের অংশ হিসেবেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত ও করতে হবে। বিনা চ্যালেঞ্জে এই নির্বাচনে ছাড় দেয়া উচিত হবে না। প্রমাণ করতে করতে হবে নৌকার বিপরীতে ধানের শীষই হচ্ছে জনগণের প্রতীক। নির্বাচনে থাকলে সরকার সন্ত্রাসী দল বানানোর যে ষড়যন্ত্র রয়েছে-তা সফল হবে না।’

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, জোটের বৈঠকে তিন সিটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থীদের ২০ দলীয় জোট সমর্থণ দিয়েছে। কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিষয়ে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে সাংগঠনিক অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বিএনপির মহাসচিব গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এ সময় জোটের কয়েকজন নেতা এই নির্বাচন কমিশন আর সরকারের অধীনে আর কোন নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার পরামর্শ দেন। এর প্রতিউত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় এসব নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে জনবিছিন্ন হতে হবে। তাই রাজনীতির স্বার্থেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে।’

অপর একজন নেতা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারী দলের ভোট জালিয়াতি আর অনিয়মের বিরুদ্ধে একদিনের হরতাল কর্মসূচি দিতে আহ্বান জানালে মহাসচিব বলেন, ‘ওই ধরণের কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার সময় এখনও আসেনি।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন জাতীয় পার্টি (জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, এনডিপি খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপি ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, খেলাফত মজলিশ ড. আহমেদ আবদুল কাদের, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, ডিএলর সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, ইসলামী ঐক্যজোটের অধ্যাপক আবদুল করিম, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নূর হোসেন কাশেমী, মুহিউদ্দিন ইকরাম প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত