প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

ঢাকার রাস্তায় গতিসীমা লঙ্ঘনে আইন প্রয়োগের নজির নেই

রিকু আমির : ঢাকার রাস্তায় প্রতিনিয়ত নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘন করলেও আইন প্রয়োগের নজির নেই। বুধবার ঢাকার কয়েকটি পয়েন্টে কর্তব্যরত টিআই, ট্রাফিক সার্জেন্টদের কাছ থেকে এই তথ্য জানা যায়।

১৯৮৩ সালে প্রণীত মোটরযান অধ্যাদেশের উদ্ধৃতি দিয়ে ডিএমপির ওয়েব সাইটের তথ্য- নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘন করলে ১৪০ ধারায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। এতে জরিমানা ৩০০ টাকা। অপরাধ পুনরাবৃত্তি করলে ৫০০টাকা জরিমানা।

টিআই ও সার্জেন্টদের বক্তব্য অনুযায়ী- ঢাকার বেশিরভাগ সড়কে পিক আওয়ারে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রমের সুযোগ নেই। অফপিক আওয়ারেই গতিসীমা অতিক্রমের প্রবণতা লক্ষণীয়। তবে সব ফ্লাইওভার, হাতিরঝিল, মহাখালীর কাকলী বাসস্ট্যান্ড টু টঙ্গী, মানিক মিয়া এভিনিউ, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড টু সাতরাস্তাসহ বেশকিছু সড়কে হরহামেশাই নির্ধারিত গতিসীমার চেয়ে দ্বিগুণ বা চারগুণ গতিতে যানবাহন চালানো হয়।

২০১৫ সালের আগস্টে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্ত ছিল- ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার নির্ধারণ। এ গতিসীমার বেশি কোনো গাড়ি চললে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এছাড়া যানবাহনে গতিনিয়ন্ত্রক স্পিড গভর্নর সংযোজনের ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটিকে (বিআরটিএ) নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

আইন প্রয়োগ কেন নেই- প্রশ্ন করা হলে বুধবার দুপুরে রমনা এলাকায় কর্তব্যরত একজন সার্জেন্ট নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, যানজট সামলানোই দায়। এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইন্সুরেন্স, হেলমেট, রেজিস্ট্রেশন না থাকার মামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হয় বেশি। গতিসীমা ভঙ্গের মামলা করতে গেলে যে আলাদা সেটআপ দরকার। কি দিয়ে বুঝব গতিসীমা ভঙ্গ হয়েছে, সেই যন্ত্রপাতি তো নেই। এই কাজ করতে হলে আলাদা সময়ও দরকার।

তেজগাঁও এলাকার সার্জেন্ট সুরুজ আলী মনে করে- ঢাকার রাস্তায় যেসব সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে, তার বড় অংশই ঘটে গতিসীমা ভঙ্গের কারণে। তিনি বলেন, কে কার আগে যাবে, এমন প্রতিযোগি মনোভাব কাজ করে চালকদের মধ্যে।

জানার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ট্রাফিক) মফিজ উদ্দিনের সাথে বুধবার বিকালে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত