প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

সৌদি নারীদের গাড়ি চালানো নিয়ে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি কতটা বদলেছে?

সজিব খান: সৌদি আরবে নারীদের গাড়ি চালানোর বৈধতা দেয়ার পর অনেক নারীই গাড়ি চালানো শিখছেন। এবং এর জন্য যিনি কৃতিত্ব পাচ্ছেন তিনি হলেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি আরবের সমাজে নানা সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন এ ক্রাউন প্রিন্স। রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর ছবি দেখা যায়। কিন্তু সৌদি আরবে নারীদের গাড়ি চালানোর উপর বিধি-নিষেধ তুলে নেবার দাবীতে যারা সোচ্চার ছিলেন তাদের কয়েকজন এখন কারাগারে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রত্না বেগম বলেন, ” ড্রাইভিং-এর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার কয়েক সপ্তাহ আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ অনেক নারীকে আটক করেছে, যারা নারীদের উপর থেকে ড্রাইভিং-এর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার বিষয়ে আন্দোলন করেছেন। যেসব পুরুষ তাদের সমর্থন করেছে তাদেরও আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তাতে ২০ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে।”

সন্ধ্যার সময় রিয়াদের একটি মার্কেটে যান বিবিসির সংবাদদাতা। দেখা যায়, মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। স্বর্ণের পাশাপাশি জামা-কাপড়ও বিক্রি হচ্ছে সেখানে। আর নারীদের আপাদমস্তক ঢাকার জন্য বোরকা, হিজাব এবং নেকাবও বিক্রি হচ্ছে।

মার্কেটের চারপাশে তাকালে পরিবর্তন খুব একটা দেখা যায়না। অনেক নারীকে দেখা যায় যাদের পুরো মুখ ঢাকা কিংবা মাথা ঢাকা। তবে সেখানে লোকজনের সাথে কথা বললে পরিবর্তনের একটি আভাস লক্ষ করা যায়।

এক ব্যক্তি যেমনটা বলছিলেন, নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়ায় তিনি বেশ খুশি হয়েছেন।

হাসিমাখা মুখে তিনি বলেন. “আমার সাথে আমরা স্ত্রী এবং কন্যা আছে। শীঘ্রই নারীরা ড্রাইভিং করতে পারবে। এতে আমরা অনেকটা ভার মুক্ত হবো। আমরা বাসায় বসে বসে থাকবো, আর ওরা নিজেরা নিজেদের কাজ করে করে নেবে।”

তিনি বলছেন ড্রাইভিং-এর এক্ষেত্রে সবাই সমান হবে এবং এটা জীবনে স্বাভাবিক বিষয়।

নারীদের ড্রাইভিং-এর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় তিনি বেশ খুশি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত