প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তুরস্কের বাকশালী প্রেসিডেন্ট: গণতান্ত্রিক রিপাবলিকে কাম্য নয়

মাসুদ রানা : তুরস্কের প্রেসিডেণ্ট রেজেপ তায়িপ এরদোয়ান তুর্কী সমাজের ডিসেক্যুলারাইজেশন ও ডিডেমোক্র্যাটাইজেশন প্রক্রিয়া বহু আগে অতি কৌশলে শুরু করে তার ফসল ঘরে তুলেছেন নিজ হাতে নাৎসী ও বাকশালী কায়দায় ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন ঘটিয়ে। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের এ্যাকে পার্টি এক ছদ্মবেশী ইসলামিক ফ্যাশিষ্ট পার্টি। এরা গত আড়াই দশকে ধীরে ধীরে তুর্কী সমাজের গণতান্ত্রিক ও সেক্যুলার প্রতিষ্ঠানসমূহ ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি বিস্মিত হচ্ছি এই দেখে যে, বঙ্গীয় ‘বাম-কর্মী’দের কেউ কেউ এই নব্য হিটলারের নির্বাচনী বিজয়ে উল্লাস প্রকাশ করছে।

আমি বুঝতে পারিনি কী বোধে ও বিবেচনায় তারা উল্লসিত। যদিও বাংলাদেশে ইসলামবাদী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে সমালোচনা করার কারণে তুর্কী নেতা এরদোয়ানের প্রতি বাংলাদেশের ফ্যাশিবাদী সরকারের নেত্রী শেখ হাসিনা নাখোশ, আমার আশঙ্কা হচ্ছে প্রথমোক্তজন অচিরেই শেষোক্তজনের কাছে এক মূল্যবান ‘মডেল’ উঠতে পারেন। আমি তত্ত্বগতভাবে রিপাবলিকের জন্যে প্রেসিডেনশিয়্যাল গভর্ণমেণ্ট পদ্ধতিকেই সঠিক মনে করি। তবে আমি তা চাই এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্সি, পার্লামেণ্ট, জুডিশিয়ারীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করে। কিন্তু এরদোয়ান যে প্রকারের এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্সি তৈরি করেছেন, সেখানে বাকশালের মতো সর্বময় ক্ষমতা প্রেসিডেণ্টের হাতে ন্যস্ত করে রাষ্ট্রের লেজিল্যাটিভ ও জুডিশিয়ারিকে এক্সিকিউটিভের অধীনস্থ করে ফেলা হয়েছে। বস্তুতঃ এটিই ফ্যাশিবাদী শাসনের রাষ্ট্রীয় রূপ, যা রিপবালিকের জন্যে কাম্য হতে পারে না।

লন্ডন, ইংল্যান্ড/ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত