প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

মাঠে ছিলেন না বিএনপির কেউ

ডেস্ক রিপোর্ট: গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে টঙ্গী এলাকায় বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের বাড়ি। অথচ সেখানেই মাঠে ছিলেন না বিএনপির নেতাকর্মীরা। গতকাল সকাল ৮টায় ভোট শুরুর পর থেকে বিকেল ৪টায় শেষ হওয়া পর্যন্ত একই চিত্র ছিল টঙ্গীতে। এমনকি ধানের শীষের প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়টিও ছিল তালাবদ্ধ।

টঙ্গীর নির্বাচনী কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি বুথেই ধানের শীষের প্রতীক বুকে নিয়ে এজেন্টরা বসে আছেন। নির্বাচন নিয়ে কারো কোনো আপত্তিও ছিল না। কিন্তু কেন্দ্রের বাইরে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। ছিল না ভোটার ¯িøপ দেয়ার কোনো লোকজন। জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি কোথাও। ভোটকেন্দ্রগুলোজুড়েই ছিল নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীরা। ভোটার কেন্দ্রে আসার সঙ্গে সঙ্গেই নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে স্লিপ দিতে ব্যস্ত দেখা গেছে তাদের।

টঙ্গীর চেরাগ আলীতে কাদেরিয়া টেক্সটাইল মিলের গেইটে বিএনপির টঙ্গীর কার্যালয় ও প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় বেলা ১১টা পর্যন্ত খোলা ছিল। কয়েকজন নেতাকর্মীও ছিলেন সেখানে। ১১টার দিকে বন্ধ হওয়ার পর সারাদিন তালাবদ্ধই ছিল ওই কার্যালয়। কার্যালয়ের আশপাশে কোনো নেতাকর্মীর উপস্থিতিও ছিল না।

টঙ্গী পৌরভবন যা এখন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়-১। পেছনে প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের বাসভবন। এর নিচ তলার বৈঠকখানাটি নির্বাচনকালীন কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু নির্বাচনের দিন তা ছিল জনমানবশূন্য। কোনো নেতাকর্মী ছিলেন না হাসান সরকারের বাড়িতে। ২/৩ জন জামায়াত কর্মী বসে ছিলেন ওই বৈঠকখানায়।

বিদায়ী মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ মান্নানের কোনো নেতাকর্মীকে নির্বাচনের দিনে মাঠে দেখা যায়নি। বরং উল্টো অভিযোগ রয়েছে বিএনপির পরিবর্তে তার কর্মীরা আওয়ামী লীগ প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছে।

অসুস্থ এই বিদায়ী মেয়র দুপুর ১টার দিকে সালনা দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসায় নিজ ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন। কেন্দ্রের পাশেই একটি বাড়িতে কিছুক্ষণ অবস্থান নিয়ে রাজধানীর ডিওএইচএসের বাড়িতে ফিরে যান তিনি। এমনকি ওই কেন্দ্রের বাইরে কোনো কেন্দ্র পরির্দশনও করেননি তিনি। তার বিশেষ সহকারী মো. জনি মিয়া অবশ্য দাবি করেন, মেয়র মান্নান ৩/৪ ঘণ্টা কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থান করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে মান্নান যখন নির্বাচিত হন, তার জন্য হাড়ভাঙা খাটুনি খেটেছিলেন হাসান সরকার। এবার হাসানের জন্য কিছুই না করায় মান্নানের প্রতি অনেকটাই ক্ষুব্ধ হাসান। স্থানীয় সূত্র এমন তথ্যই দিয়েছে।

সূত্র: ভোরের কাগজ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত