প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

৪০০ কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি) নির্বাচনে চার শতাধিক কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের পক্ষের এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুই শর মতো কেন্দ্রে এজেন্টরা ঢুকতেই পারেননি। আর দুই শ কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিলে বের করে দিয়েছে। এ ছাড়া ভোটের আগের রাতে অর্ধশতাধিক এজেন্ট ও কেন্দ্র কমিটির সদস্যকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।’

জিসিসি নির্বাচনে মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, জিসিসির ৫৭টি ওয়ার্ডের ৪২৫টি কেন্দ্রে ধানের শীষের পক্ষে প্রায় সাড়ে সাত হাজার এজেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। খবর কালের কণ্ঠ’র।

বিএনপির দাবি অনুসারে আটককৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন—৯ নম্বর ওয়ার্ড আঞ্জুমান হেদায়েতুল উম্মত কেন্দ্র এজেন্ট হাবিবুর রহমান, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড টিডিএইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের এজেন্ট ফারুক, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড ধীরাশ্রম জি কে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র এজেন্ট সেলিম রেজা, ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড বনমালা এলাকা থেকে ছাত্রদল নেতা রাজন ও বিএনপি কর্মী জাকির, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড সাহারা খাতুন কিন্ডারগার্টেন কেন্দ্রের এজেন্ট মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমকল্যাণ কেন্দ্র থেকে সাবেক পৌর কমিশনার শরিফ মিয়া, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড শরিফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে মনির হোসেন মোতাহার, ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড টঙ্গী থানা ছাত্রদল সহসভাপতি শাহাব উদ্দিন, ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড ধূমকেতু স্কুল কেন্দ্রের এজেন্ট ডা. আব্দুল হামিদ, ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড আরিচপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র কমিটির সদস্য কাজী শাহীন, নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের এজেন্ট আলমগীর হোসেন, কোনাবাড়ী শ্রমিক দল সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান বাদল, ৪১ নম্বর ওয়ার্ড পুবাইল রহমানিয়া মাদরাসা কেন্দ্র থেকে খোরশেদ মিয়া ও সাবেক কাশিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ মাস্টার, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের সোহাগ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কাজী নজরুল।

অভিযোগে আরো বলা হয়, যেসব কেন্দ্র থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা এজেন্টদের বের করে দিয়ে সিল মেরেছে সেসবের মধ্যে কাউলতিয়া জহির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, ধীরাশ্রম জি কে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, খোলাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, জোগীতলা বদরে আলম আরাবিয়া মাদরাসা, শরিফপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, কলমেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রোকেয়া সরণি, জরুন মাদরাসা, কুনিয়া হাজি আব্দুল লতিফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আয়াত আলী উদয়ন একাডেমি, মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হার্বাট মডেল একাডেমি, পুবাইল উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ধূমকেতু উচ্চ বিদ্যালয়, আঞ্জুমান হেদায়েতুল উম্মত ইয়াতিমখানা, শ্রমকল্যাণ, গাছা উচ্চ বিদ্যালয়, জুলারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিরেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুবাইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কলেজ, ল্যাংগুয়েজ উচ্চ বিদ্যালয়, সাতাইশ উচ্চ বিদ্যালয়, সাতাইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অথেনটিক স্কুল, মেধা বিকাশ আইডিয়াল স্কুল, শিরিয়া হোসেন পাবলিক স্কুল, পুবাইল রহমানিয়া মাদরাসা, কুনিয়া শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার উচ্চ বিদ্যালয়, বিপ্রবর্থা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টেককাথুরা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাকবিয়াতুল দাখিল মাদরাসা, বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মোহাম্মদ আলী শিকদার একাডেমি কেন্দ্র উল্লেখযোগ্য। এভাবে প্রায় তিন শ কেন্দ্র দখল করে সিল মারা হয়েছে। আর প্রতিটি কেন্দ্র দখলে নেতৃত্ব দিয়েছে ডিবি পুলিশ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত