প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২৫০ ঘন্টা বিতর্কের পর ব্রেক্সিট বিল আইনে পরিণত হলো

ইমরুল শাহেদ : ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগের জন্য ব্রিটেনের ব্রেক্সিট বিলটি গত কয়েক মাসের বিতর্কের পর অবশেষে আইনে পরিণত হলো। মঙ্গলবার কনসার্ভেটিভ পার্টির সাংসদদের হর্ষধ্বনির মধ্যেই স্পিকার এ ব্যাপারে পার্লামেন্টে ঘোষণা দেন। স্পিকার জন বারকাউ বলেছেন, ইইউ ছাড়ার বিলটি রাণী এলিজাবেথ টু-এর সম্মতি লাভ করেছে। এই বিলের মাধ্যমে ১৯৭২ সালের ইউরোপিয়ান কমিউনিটিজ এ্যাক্ট, যার মাধ্যমে ব্রিটেন ইইউর সদস্যপদ লাভ করেছিল, তা বাতিল হয়ে গেল।
চলমান ব্রিটিশ আইনে যাতে কোনো এ নিয়ে কোনো বাধার সৃষ্টি না হয় সেজন্য এটিকে ব্রিটিশ স্টেট্যুট বইতে সংযোজন করা হয়েছে।
২০১৭ সালের জুলাই মাসে এই বিষয়টি পার্লামেন্টে উত্থাপিত হওয়ার পর থেকে হাউজ অব পার্লামেন্টে ২৫০ ঘন্টা ধরে বাগবিত-া চলে।
গত সপ্তাহে বিলটি পার্লামেন্টে পাস হওয়ার পর কট্টর ইউরোসমালোচকরাও উদ্বেলিত হয়েছেন। ব্রাসেলস চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা বরাবরই বিদ্যমান ছিল। কেউ বিশ্বাসই করতে পারেনি যে, ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মন্ত্রী লিয়াম ফক্স বলেছেন, এতে ব্রিটেনের ইইউ ত্যাগের পথ প্রশস্ত হলো এবং এখন আর বলা যাবে না যে, ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করছে না।
ক্ষমতাসীন কনসার্ভেটিভ পার্টির সদস্য ইউরোসমালোচক সাংসদ জ্যাকব রিস-মগ বলেছেন, ‘ব্রেক্সিটের জন্য এখনকার পরিস্থিতি অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন।’
তিনি বলেন, ‘এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর হাত দর কষাকষির জন্য আরো শক্ত হলো।’ কনসার্ভেটিভ দলের আরেকজন ইউরোসমালোচক সাংসদ ডোমিনিক র‌্যাব বলেছেন, এ সপ্তাহের শেষ দিকে পালে বাতাস নিয়েই মে ইইউর একটি বৈঠকে বসতে যাবেন।
বিলটি পার্লামেন্ট পর্যন্ত পৌঁছাতে সরকারকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। ব্রাসেলসের সঙ্গে ব্রেক্সিট বিষয়ে সম্মত করাতে অনেক সাংসদের উপর প্রভাবও বিস্তার করতে হয়েছে। ইয়ন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ