প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও মিলছে না শিক্ষার পরিবেশ

আহমেদ ইসমাম: রাজধানীতে ভাড়া বাসায় আতিরিক্ত অর্থ দিয়েও মিলছে না শিক্ষার্থীদের জন্য যথাযথ শিক্ষার পরিবেশ। অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য  নিজস্ব আবাসিক হল না থাকায় বিপাকে পরেছে রাজধানীর বাইরে থেকে আসা সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষার যথাযথ অগ্রগতি করতে পাচ্ছে না এবং বিশ্বের শিক্ষার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছে, শিক্ষার্থীরা এক সাথে থাকলে এটা তাদের জন্য ভালো এতে তাদের মেধা বিকশিত হবে কিন্তু এটার জন্য দরকার যথাযথ পরিবেশ। আমাদের দেশে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা এ পরিবেশে বসবাস করতে পারে না। শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সরার আগে দরকার শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ। এক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাত্র ১০-১৫ শতাংশ হল বা ছাত্রাবাসে থাকে। আর বাকি ৮৫-৯০ শতাংশই (আনুমানিক ২০ লাখ শিক্ষার্থী) বাইরে বাসা ভাড়া করে থাকে। আর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এমন ব্যাচেলরদের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। সঙ্গে ব্যাচেলর গার্মেন্ট কর্মী আছেন ৫-৬ লাখ। সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ লাখ ব্যাচেলর থাকেন রাজধানীতে। এই বিপুল পরিমান শিক্ষার্থী ভাড়া বাসায় থাকার কারণে আতিরিক্ত অর্থ দিয়েও থাকার জন্য ভাল পরিবেশ পাচ্ছে না।

ঢাকা সিটি কলেজের ছাত্র রিফাত আহমেদ বলেন, আমার কলেজের নিজস্ব কোনো আবসিক হল নাই। আমি রাজধানীর বাইরে থেকে আসার কারণে জিগাতলার একটি ভাড়া বাসায় আরও পাঁচ জনের সাথে থাকতে হয়। দুই রুমের একটি ফ্লাটের ভাড়া সবমিলে বাইশ হাজার টাকা। এত টাকা দেওয়ার পরেও আমাদের আনেক গাদা গাদি করে থাকতে হয়। ফ্লাটের ভেতরে কোথাও দাঁড়ানো বা হাটাচলার জায়গা নাই। কিন্তু তারপরেও আমাদের প্রতি মাসে জন প্রতি দিতে হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকারও বেশি এত টাকা দিয়েও আমরা থাকার জন্য ভাল পরিবেশ পাচ্ছি না। দীর্ঘ দিন ঢাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন রেজুয়ান আহমেদ শাওন বলেন, আগে তুলনা মূলক কম টাকায় খুব ভাল বাড়ি পাওয়া যেত। কিন্তু দিন দিন এমন পর্যায়ে চলে গেছে বাড়িওয়ালা আর ভাড়াটিয়াদের মাঝে একটা দুরুত্ব তৈরি হয়েছে। আর সেটা যদি হয় ব্যচলর কোনো শিক্ষার্থী তবে তো কোনো কথাই নাই। ব্যচেলর কোনো শিক্ষাথীদের সহজে কেউ বাড়ি দিতে না চাওয়ায় কিছু লোভি বাড়িওয়ারা তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত