প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

হিজড়া নারী না পুরুষ যেভাবে বুঝবেন

সাইদুর রহমান : হিজড়াদের প্রতি বৈষম্য বৈধ নয়। তারাও সম্পদের অধিকারী হবে। ইসলাম পুরুষ ও নারীকেই গণ্য করে থাকে। আর যারা উভয়লিঙ্গ হয়ে থাকেন তারাও মূলত হয় নারী হোন বা পুরুষ হয়ে থাকেন। তাই তাদের ব্যাপারে আলাদা কোনো বিধান আরোপ করা হয়নি।

যে উভলিঙ্গের অধিকারী ব্যক্তির মাঝে যেটি বেশি থাকবে, তিনি সেই প্রজাতির অন্তর্ভূক্ত হবেন। পুরুষের ভাব বেশি থাকলে পুরুষ, নারীর ভাব বেশি থাকলে নারীর বিধান প্রযোজ্য হবে। তাই তাদের ব্যাপারে আলাদা কোনো বিধান আরোপ হবার প্রয়োজনই নেই।

হিজড়াদের ক্ষেত্রে বিধান হল, তাদের নারী বা পুরুষের যে কোনো একটি ক্যাটাগরিতে ফেলতে হবে। রাসূল সা. এ ব্যাপারে একটি মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সেটা হল, দেখতে হবে হিজড়ার প্রশ্রাব করার অঙ্গটি কেমন? সে কি পুরুষদের গোপনাঙ্গ দিয়ে করে? না নারীদের মত গোপনাঙ্গ দিয়ে পেশাব করে?

গোপনাঙ্গ যাদের মত হবে হুকুম তাদের মতই হবে। অর্থাৎ গোপনাঙ্গ যদি পুরুষালী হয়, তাহলে পুরুষ। যদি নারীর মত হয়, তাহলে নারী। আর যদি কোনটিই বুঝা না যায়। তাহলে তাকে নারী হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই হিসেবেই তাদের উপর শরীয় বিধান আরোপিত হবে। সুতরাং ইসলামে হিজড়াদের ব্যাপারে কিছু বলা নাই বলাটা মুর্খতা বৈ কিছু নয়। (মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক-১৯২০৪)

হযরত আলি রা. কে এমন বাচ্চা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়, যার ছেলে বা মেয়ে হওয়া পরিস্কার নয়। তখন হযরত আলী রা. বললেন, সে যেভাবে পেশাব করে সে হিসেবে মিরাস পাবে। (সুনানে বায়হাকি কুবরা-১২৯৪, কানযুল উম্মাল-৩০৪০৩)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত