প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

মাদক ব্যবসার সাথে সরকার দলীয় লোকজনই বেশি জড়িত

আবুল খায়ের ভুঁইয়া : অপরাধীর অপরাধ অনুযায়ী সে সাজা পাবে। মাদক ব্যবসায়ীরা ভারত, মিয়ানমার থেকে ফেনসিডিল, ইয়াবা চোরাচালান করে আমাদের দেশে এনে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মাদকের ব্যবসা প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিয়েছে। সেই সাথে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে বিনা বিচারে হত্যাকা- সংঘটিত করে সরকারের চলমান আতংকের রাজনীতি বন্ধের জন্য আহব্বান জানাচ্ছি। বর্তমান সরকারের ইশারায় দেশ পরিচালিত হয়। প্রতিটি লোকের বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। বন্দুকযুদ্ধের নামে ক্রসফায়ারে মানুষ হত্যা ক্রমান্বয়ে সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য উন্মোচিত করছে।

এই সরকার দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় আছে এবং তার আমলেই মাদকের বিস্তার বেড়েছে। মাদকের বিস্তার একদিনে বাড়েনি। অনেক দিন ধরেই মাদক বিস্তার লাভ করছে আর তা নিয়ন্ত্রণে এই সরকার তাদের ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। মাদক বিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত অনেকেই মারা পড়েছে। মাদক গডফাদারদের রেহাই দিয়ে খুচরাদের হত্যার যে প্রক্রিয়া চলছে তাতে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ আরো ঘনীভূত হচ্ছে। সরকার নয় বছর ধরে ক্ষমতাসীন এ সময়কালে সরকারের ব্যর্থতার কারণে মাদক ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠেছে। সরকার দেশ শাসনে তার ব্যর্থতা ঢাকার জন্য এবং আগামী নির্বাচনের আগে ভীতি ও আতংকের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে একতরফাভাবে নির্বাচনী বৈতরণি পার হতে চায়।

মাদক ব্যবসার সাথে সরকার দলীয় লোকজনই বেশি জড়িত। মাদকের গডফাদার নামে যারা আছে, তারাই সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বর্তমান সরকারের এমপিও মাদক ব্যবসার সাথে যুক্ত আছে। সরকার আমাদের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে জনপ্রতি প্রায় ৮০ থেকে ১২০ এর অধিক মামলা করেছে। আমাদের মামলাতো আছেই, তার মধ্যে আমাদের দলীয় লোকজনকে মাদকের মিথ্যা মামলা দায়ের করে। তাদের তাদের বাড়ী গিয়ে তল্লাশি করছে এবং গ্রেপ্তার করে হয়রানি করছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মধ্য দিয়ে আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো এবং এ জালিম সরকারের পতন ঘটাবো।

পরিচিতি : সাবেক এমপি, বিএনপি /মতামত গ্রহণ : নৌশিন আহম্মেদ মনিরা/সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত