প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘সন্তান হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ যেন না ঘটে’ (ভিডিও)

সাজিয়া আক্তার : বর্তমান সময়ে স্বামী-স্ত্রী মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঘটে বিপত্তি। ফলে রেগে গিয়ে স্বামী স্ত্রীকে কিংবা স্ত্রী স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দেন। অনেক সময় সন্তান থাকা সত্ত্বেয় একে অপরকে ডিভোর্স দিতে ভাবেন না। ফলে ডিভোর্সের প্রভাব পড়ে সন্তানদের উপর। এমনই একটি ঘটনায় হতভাগ আইনজীবী ও সাংবাদিকরা।

বাবা-মায়ের বিবাদ মিটাতে দুই সন্তানের আকুতি। অবুঝ শিশুদের এমন কান্না ছিল আদালতের এজলাসেও। এতে চোখ ভিজে যায় আদালতে হাজির থাকা সবার, কাঁদেন বিচারপতিরাও।

মল্লীকার আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, বাচ্চাগুলো অধরে কাঁদছে, বারবার বলছে আমরা বাবা-মাকে ভিন্নভাবে দেখতে চাই না। আমরা দুজনকে একসঙ্গে দেখতে চাই। আমার ধারণা সেই উপলব্ধি শিশুদের বাবা-মায়ের মধ্যেও কাজ করেছে।

মেহিদী হাসানের আইনজীবী তাপস কুমার বল বলেন, আমরা বলেছি ১ সপ্তাহ সময় ছুটি নিয়ে বাবা মাকে সন্তানদের সাথে সময় কাটাতে। যাতে সন্তানের যে ইচ্ছা সেটা যাতে পরিপূর্ণ হয়।

মা-বাবা এবং দুই সন্তানকে নিয়ে খাস কামরায় জান দুই বিচারপ্রতি। সেখানেও তৈরি হয় আবেগঘন দৃশ্যের। অবশেষে এই দুই দম্পতি বুঝতে পারেন পরস্পরকে ডিভোর্স দিয়ে ভুল করেছেন। তারা সিদ্ধান্ত নেন সন্তাদের ভবিষতের কথা চিন্তা করে একসাথে থাকবে।

আদালত দুই শিশুকে মা-বাবার আচরণ দেখার দায়িত্ব দেন। তারাই এসে আদালতে জানাবেন মা-বাবার সংসার কতটা জোড়া লাগলো।

২০০২ সালে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন এই দম্পতি। কিন্তু গত বছর হঠাতই হয় ছন্দপতন। মল্লীকা ডির্ভোস দেন তার স্বামীকে, এরপর থেকেই বন্ধ দুই শিশুর পড়ালেখা। বাবা মেহেদী হাসান দুই শিশুকে পাঠিয়ে দেন কুষ্টিয়ায় তাদের ফুফুর বাসায়। আর সন্তানের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে হাইকোর্টে এসে শেষপর্যন্ত পরিবারেই ফিরে এলেন এই দম্পতি। তবে দাম্পত্য কলহ সন্তানকে কতটা অসহায় করে তোলে তাকি বাবা-মায়েরা ভাবেন?

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত