প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন
উৎসবের পাশাপাশি রয়েছে আতঙ্ক

আনিসুর রহমান তপন, গাজীপুর থেকে ফিরে : গাজীপুর সিটি করপোরেশন উপলক্ষে সর্বত্র উৎসব চলছে। সবই বেশ উৎফুল্ল। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে সামান্য জটলার আলোচনাতে হাসিখুশি ভাবে কুশল বিনিময় আর ভোটের গতি-প্রকৃতি কোন দিকে যাচ্ছে সেই আলোচনা।

গতকাল মধ্যরাত থেকে সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ থাকায় প্রকাশ্যে প্রচার-প্রচারণা না থাকলেও চলছে নিরব প্রচারণা। এ প্রচারণায় প্রর্থীরা সরাসরি যোগ না দিলেও তাদের নিজস্ব এজেন্ট বা নির্বাচনে প্রার্থীর কর্মীরা যার যার মত নিরব প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ভোটারদের মনোভাব বা সমর্থন নিজ প্রর্থীর পক্ষে টানার চেষ্টা করছে। চেষ্টা করছে নিজ পছন্দের প্রার্থীর ভোট ব্যাংক বাড়াতে।

এদিকে ভোট উপলক্ষে পোয়াবারো ভোটারসহ এলাকার চা ষ্টলগুলোর। সঙ্গে আছে কনফেকশনারী ও হোটেল রেস্তোরা। সবার বিক্রি বেশ জমে উঠেছে। দেদারছে হচ্ছে নগদ টাকার লেনদেন। মোটামুটি কোনো ভোটারেরই এখন অভাব নেই। স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে আলাপ করে জানাগেছে, কাউন্সিলর প্রার্থী থেকে শুরু করে মেয়র প্রর্থীর পক্ষে তাদের এজেন্টরা ভোটারদের ভোটটি নিজ প্রার্থীর পক্ষে নিশ্চত করতে গোপনে ব্যয় করছে বিপুল নগদ টাকা। রাতের আধাঁরে বা দিনেও চলছে অনেকটা গোপনে। তাতে কোনো কোনো কাউন্সিলর ভোটার প্রতি ব্যয় করছে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত। এর বাইরে নিজস্ব কর্মী বাহিনীর জন্য রয়েছে আলাদা বরাদ্দ।

অন্য দিকে সিটি করপোরেশনের ভোট নিয়ে গোপন সন্ত্রাসের অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন সিটি করপোরেশনের ২৮, ২৯, ৩০,৩১ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা ঘুরে পাওয়া গেছে এমন চিত্র।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসব এলাকার সাধারণ অনেক ভোটার জানান, সবাই ভোটারদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি নগদ টাকা দিয়ে নির্বাচনী বৈতরনী পার হেত চাইছেন তাতে বিরুদ্ধ সমর্থকরাও অনেক ক্ষেত্রে টাকা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ কোনো কাউন্সিলরের টাকা না নিলেই সমস্যা। তাতে তিনি মনে করছেন হয়তো বিপক্ষ প্রর্থীর পক্ষে কাজ করছেন তারা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভোটের পর দেখে নেয়ার হুমকির পাশাপাশি এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেয়া হচ্ছে।

অপর দিকে আতঙ্ক বাড়ছে সিটি করপোরেশন এলাকার অটোরিক্সা, টেম্পু ও ভ্যান চালকদের। মো. মনির হোসেন নামের একজন অটোরিক্সা চালক জানান, এখন রেলওয়ে স্টেশন এলাকার স্ট্যা- ব্যবহার করায় এখন চাঁদা দিচ্ছি প্রতিদিন ৫০ টাকা। নির্বাচনে প্রার্থীদের বিপুল ব্যয় হওয়ায় সেই টাকা তো সে তুলতে চাইবে। এতে আমাদের চাঁদার পরিমান বাড়বে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত