প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শান্তি এবং জনপ্রিয়তার শীর্ষে ফুটবল

প্রকৌশলী নওশাদুল হক : এখনও পর্যন্ত জাতিসংঘের সদস্য নয় এরকম রাষ্ট্র দুটি হলো-হলি সী এবং স্ট্যাট অব প্যালেস্টাইন। এদুটি রাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বে এই মুহুর্তে রাষ্ট্রের সংখ্যা একশত পঁচানব্বই। এই একশত পঁচানব্বইটি রাষ্ট্রের মধ্যে ইতিমধ্যেই শতভাগ সোস্যাল সিকিউরিটি নিশ্চিত করেছে যে পাঁচটি দেশ তাদেরকে বলা হয় স্ক্যান্ডিনেভীয় বা নিশীত সূর্যের দেশ। নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ডেনমার্ক এই পাঁচটি দেশই স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশের সদস্য। যে দেশগুলোতে শান্তির পায়রাদের বসবাস। এই শান্তির পায়রাদের সহযোগী হওয়ার দৌড়ে যারা অগ্রগামী সুইজারল্যান্ড, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ইংলান্ড যুক্তরাষ্ট্রসহ এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের অনেক রাষ্ট্রের নামই এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য।

প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর ফিফার নেতৃত্বে বসে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। যেখানে অংশগ্রহণ করে বত্রিশটি দেশের টিম এবং প্রায় একশত পঁচানব্বইটি দেশের শান্তিপ্রিয় ফুটবলপ্রেমীরা। খেলার সাথে সম্পৃক্ত অধিকাংশ দেশ, দল এবং দর্শকই শান্তিপ্রিয়। এবার রাশিয়ার বিশ্ব ফুটবলের আসরে স্ক্যান্ডিনেভীয় পাঁচটি দেশের মধ্যে সুইডেন, ডেনমার্ক এবং আইসল্যান্ড এই তিনটি দেশ অংশগ্রহণ করছে। ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে নজরকাড়া খেলা প্রদর্শণ করেছিলো নরওয়ে। বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও ফিফার কোয়ালিফাইং পর্ব এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক টুর্নামেন্টে নৈপুণ্যের ভাগিদার স্ক্যান্ডিনেভীয়ভূক্ত অন্য রাষ্ট্রটি।

শান্তির পায়রাদের পদচারণায় মুখরিত পাঁচটি রাষ্ট্রসহ পায়রাদের সহযাত্রী হওয়ার পথে অগ্রগামী দেশগুলো টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণই প্রমাণ করে শান্তিতে খেলাটির ভবিষ্যত। আর বিশ্বের সবকটি দেশের সমর্থকদের সরাসরি গ্যালারীতে উপস্থিতি, টিভি, মিডিয়ার মাধ্যমে লাইভে অংশগ্রহণ এবং বাংলাদেশের মতো অনেক রাষ্ট্রে ভিনদেশী রাষ্ট্রের পতাকা, ফেস্টুন কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সরব উপস্থিতিই প্রমাণ করে এর জনপ্রিয়তা।

এই বিশ্বে অনেক খেলাই আছে যেগুলোর অঞ্চল ভিত্তিক জনপ্রিয়তা রয়েছে বটে। সেক্ষত্রে ফুটবলই একমাত্র ব্যতিক্রম যা আঞ্চলিকতার সীমারেখায় বাঁধা নয়। কারণ, এই খেলার জনপ্রিয়তা ও শান্তির সুবাতাস জন্মলগ্ন থেকেই বইতে শুরু করেছে স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলোসহ পায়রাদের সহযোগী দেশগুলো হতেই।

লেখক: সভাপতি, ঢাবি সমাজকল্যাণ এ্যালামনাই ফোরাম/সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ