প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন এরদোগান

লিহান লিমা: গত ১৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত বৃহত্তর নির্বাচনী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান। রোববারের নির্বাচনের ব্যালটবাক্সে প্রথমবারের মত পার্লামেন্টারি ও প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে ভোট দেয় তুরস্কের নাগরিকরা।

তুরস্ক জুড়ে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ব্যালট বাক্সে ভোট দিচ্ছে মোট ৫৬ মিলিয়ন ভোটার। এই প্রথবারের মত এরদোগানের জাস্টিস এন্ড ডেভেলআপমেন্ট পার্টির দরজার কড়া নেড়েছে প্রতিপক্ষ মুহারেম ইনাক এর রিপাবলিকান পিপলস পার্টি।

সমালোচকরা বলছেন, এরদোগান আবার ক্ষমতা পেলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরো দুর্বল করে দিবেন। ২০১৬ সালে জুলাইয়ের ব্যর্থ সামরিক অভূত্থানের পর তুরস্ক এখনো জরুরি অবস্থায় রয়েছে। ২০১৭ সালে এক গণভোটের মাধ্যমে এরদোগান প্রেসিডেন্সি ব্যবস্থা চালু করেন। আধুনিক তুরস্কে জনপ্রিয় নেতা হলেও অনেক নাগরিকই তার সম্পর্কে দ্বিধাবিভক্ত। এ বছর তুর্কি লিরা ডলারের বিপরীতে ২০ ভাগ হ্রাস পেয়েছে। কেউ বলছেন, নতুন করে ক্ষমতা পেলে তুরস্কের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করতে পারবেন তিনি। এছাড়া দক্ষিণপূর্ব তুরস্ক, ইরাক এবং সিরিয়াতে কুর্দী বিদ্রোহীদের মোকাবেলার জন্য অনেকেই এরদোগানে আস্থা রাখছেন। ইস্তাম্বুলের নাগরিক মেহমেত ইলদিরিম বলেন, ‘স্থিতিশীলতার জন্য এরদোগানকে প্রয়োজন। এরদোগান থাকলে আমরা পশ্চিমের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে লড়তে পারব।’

অন্যদিকে মুহারেম ইনাক বলেছেন, নির্বাচিত হলে বিরোধী দলের সঙ্গে এক হয়ে এরদোগানের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান টানবেন তিনি। প্রতিশ্রুতি দেন বাক-স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার। ৩৭ বছর বয়সী রিয়েল এটেস্ট এজেন্ট ইমরি ইয়ারসেল বলেন, ‘কর্তৃত্ববাদী শাসন, গণতন্ত্রের অবনতি ও বৈচিত্রহীনতার এই সময়ে আমি তুরস্কে নতুন সরকার দেখতে চাই।’

প্রেসিডেন্ট এরদোগান ইস্তাম্বুলের উস্কুদারের একটি স্কুলে ফার্স্ট লেডি এমিনি এরদোগান সহ ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন তুরস্কের গণতান্ত্রিক উন্নয়নের প্রকাশ।’

দেশটির নতুন ইয়ায়ি পার্টির নেতা ও প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মিরাল আকসেনারও ইস্তাম্বুলে ভোট দিয়েছেন। এরদোগানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মুহারেম ভোট দিয়েছেন ইয়ালোভাতে। তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়ালদিরিম ভোট দিয়েছেন ইজমিরে।

এদিকে বিরোধী দল এবং এনজিওগুলো নির্বাচনে কারচুপি হওয়ার আশঙ্কা করছেন। সিএইচপির নেতা কেমাল কিলিকদারোগু বলেন, দক্ষিণপূর্ব আঙ্কারায় অনিয়ম হয়েছে। যদি রোববারের নির্বাচনে কোন প্রার্থী ৫০ ভাগের বেশি ভোট পেতে অক্ষম হন হবে দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোট ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। রয়টার্স, আল জাজিরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত