প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কে দুর্ঘটনা এখন নিত্যসঙ্গী

হ্যাপী আক্তার : প্রতিনিয়তই ঘটে চলছে মহাসড়কে দুর্ঘটনা। ঈদ আসলে দুর্ঘটনার মাত্রা আরো বেড়ে যায়। মহাসড়কে দুর্ঘটনা যেনো থামছেই না। বিশেষ করে রাজধানী থেকে উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কে দুর্ঘটনা এখন নিত্যসঙ্গী। চালকদের ওভারটেকিং, যানবাহনের বেপরোয়া গতিকেই মূলত দায়ি করা হচ্ছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, চালকদের সচেতন করার কাজ চলছে।

মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে চালকদের সচেতন করার জন্য ‘সাবধান!’ খেলা সাইন বোর্ডটি থাকলেও তা মানেন না কোনো চালকই। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড়ের এই মহাসড়কটি উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার। দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত এটি।

ঈদের সময় ব্যস্ততম এই মহাসড়কে, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের চলাচল বেড়ে যায় কয়েকগুন। পাশাপাশি চালকদের ওভারটেকিং আর বেপরোয়া গতি কেড়ে নেয়, যাত্রী ও পথচারীদের প্রাণ। তাই ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি, চালকদের সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন, সাধারণ যাত্রীরা।

যাত্রীরা বলছেন, বাস চালকরা কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই গাড়ি চালায়। যে দুর্ঘটনাগুলো হয় সেগুলো বেশিরভাগই ওভারটেকিং এর জন্যই হয়। তার সাাথে একজন চালক একটানা ১০-১২ দিন গাড়ি চালায়, চোখে ঘুম না থাকার কারনেও দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।

আর অন্য দিকে চালকরা বলছেন, মহারোডে যে অটো রিকশাগুলো চলাচল করে সেগুলো বন্ধ করলে সড়কে দুর্ঘটনা কমে আসবে।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেলেই ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিস। জরুরি সেবাদানকারী এই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও মনে করেন,
সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপবিভাগীয় কর্মকর্তা মো. আব্দুল হামিদ বলেছেন, ওভারটেকিং মনোভাব, ওভারলোড এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনই, উত্তরবঙ্গের এই মহাসড়কে, দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

পুলিশ বলছে, মহাসড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে, চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ, নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, যে গাড়িগুলো দ্রুত গতিতে যায় সে বিষয়গুলো নিয়ে চালকদের সচেতন করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কারণ চালকদের কয়েক সেকেন্ডের অসচেতনতার কারনে বড় ধরনের একটি দুর্ঘটনা ঘটে।
গেল ১০ দিনে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শুধু সিরাজগঞ্জ অংশেই অন্তত ৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সূত্র : চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত