প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীতে কিশোরের লাশ উদ্ধার

সুশান্ত সাহা : রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে আল-আমিন (১৭) নামে এক কিশোর লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ৪১/১ পুরানা পল্টন নাভানা রিয়েল এস্টেট নামে একটি নির্মাণাধীন ভবনের ফাঁকা জায়গা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। কে বা কারা ঠিক কি কারণে আল-আমিনকে হত্যা করেছে তা নিহতের পরিবার নিশ্চিত করতে না পারলেও পুলিশ বলছে, ছাদ থেকে ফেলে আল-আমিনকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আল-আমিন ফকিরাপুল কোমর গলি এলাকায় থাকত। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সাতানি গ্রামে। বাবার নাম তাজুল ইসলাম।

নাভানা রিয়েল এস্টেট এর নিরাপত্তাকর্মী সেলিম বলেন, রাতে নাভানা রিয়েল এস্টেট এর গেট বন্ধ থাকে। শনিবার সকালে তারা ডিউটি করতে এসে কিশোরের লাশ দেখতে পান। পরে থানায় খবর দেন। ওই কিশোরকে তারা আগে কখনো দেখেননি। পাশে উচু উচু ভবন রয়েছে। তার ধারণা, হয়তো ওইসব ভবনের যে কোন একটি থেকে কিশোরকে কেউ মেরে নিচে ফেলে দিয়েছে।

নিহতের বড় ভাই শাহ আলম জানান, আল-আমিন পুরানা পল্টনে একটি ব্যাচেলর মেসে থাকত। শান্তিনগর টুইন টাওয়ারে একটি পোশাকের দোকানে কাজ করত। তবে ৬ মাস আগে কাজ ছেড়ে দেয়। বর্তমানে বেকার ছিলেন। আল-আমিন গত ঈদে বাড়ি যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, এক বন্ধুর বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আল-আমিন ঢাকায় থেকে যায়। শুক্রবার বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে শনিবার বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিলো। শাহ আলমের দাবি, আল-আমিনের রুমমেট আমির ও আরমান হত্যাকান্ডের বিষয়ে জানে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিষয়টি বেরিয়ে আসবে।

পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল হক বলেন, নেট দিয়ে নির্মাণাধীন ভবনটির চতুর্দিক বেষ্টনী দেয়া ফাঁকা জায়গা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। ওই কিশোরের মাথায়, পিটে ও পেটে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে যে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেয়া হয়েছে তা নিশ্চিত। এ ঘটনায় নিহতের ভাই-বোন মামলা করবেন। আর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভবনটির নিরাপত্তাকর্মী ও নিহতের কয়েকজন বন্ধুকে থানায় আনা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত