প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাদককে একটা যুদ্ধ হিসেবে দেখছি আমরা

মো. শহীদুল ইসলাম : ঢাকা ৫ আসন মূলত ঢাকায় অবস্থিত। আমি গত ৪০ বৎসর যাবত লক্ষ করছি, এই ঢাকা-৫ আসন যেন আলোর নিচে যেমন অন্ধকার। এখানকার মানুষ তারচেয়েও বেশি নিগৃহীত। স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি যত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তারা নিজেদের ও নিজেদের পরিবারকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য চেষ্টা করেছেন। তারা কখনো এলাকার সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেননি। তারা নিজেরা এলাকার উন্নয়ন করেননি। এলাকার সমস্যা সমাধানের জন্য আমি আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি এবং তাই এলাকার জনগণ চাচ্ছে সামনের নির্বাচনে আমি অংশগ্রহণ করি। যদি আমাকে নির্বাচনে নমিনেশন প্রদান করা হয়, তাহলে অবশ্যই আমি ঢাকা শহরের একটা মডেল আসন হিসেবে এই আসন কে প্রতিষ্ঠিত করবো।

মাদককে একটা যুদ্ধ হিসেবে দেখছি আমরা। আমরা ’৭১ এ যেরকম যুদ্ধ করেছি  ঠিক সেরকম তরুণ প্রজন্ম কে বাঁচানোর জন্য আমরা ২০১৮ সালে যুদ্ধ করছি। বর্তমানে যে যুদ্ধ চলছে, তাতে কিছু লোক বিদেশে চলে যাবে, কিছু লোক মারা যাবে আর কিছু লোক ভয়ে সোজা হয়ে যাবে। এ ছাড়া কোন সহজ পথ আমি দেখছি না। এবং এটাকে আমি মোক্ষম অস্ত্র মনে করি। সারা দুনিয়ায় অস্ত্র ব্যবহার করেই বিশ্বের বহুদেশ এই মরনঘাতি মাদক মুক্ত হয়েছে। যেমন. ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া। এখন চলছে ফিলিপাইনে। আমি মনে করি, ক্রসফয়ার একটি সঠিক পদক্ষেপ।

তাছাড়া ঢাকার যানজট একটি বড় সমস্যা। একটু পরিকল্পনা করলেই তো যানজট নিরসন হয়। পরিকল্পনার অভাবে যানজট হচ্ছে। আমাদের দেশের সমস্ত কিছু অপরিকল্পিত। সুনিয়ন্ত্রিত পরিকল্পনা করলে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আমি মনে করি। সরকারের কোন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই যানজট নিরসনের জন্য। আমাদের দেশে রাস্তার চেয়ে গাড়ি বেশি। আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে, সকালে গাড়ি কোনদিকে যাবে? বিকালে গাড়ি কোন দিকে যাবে?  যখন একমুখী করে দেই, এরকম করলে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে যানজট নিরসন হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কোনদিন বাজেট বিরোধী কোন আন্দোলন সফল হয়নি। এটা জনগণের সাথে সম্পৃক্ত নয়। বাজেট রাষ্ট্রের একটা কার্যক্রম। এখানে জড়িত ব্যবসায়ি সমাজ। এখানে রাজনৈতিক দল ও জনগণের কোন সম্পৃক্ততা নেই। যারা ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স দেয়, তাদের বাজেটের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলনের প্লাটফর্ম নেই। অথচ বাজেটের ৯৫ ভাগ কর প্রদান করতেছি আমরা জনগণ। আমরা প্রতিটা পণ্য কেনার সময় ভ্যাট দিচ্ছি। আমি কোন বেনিফিট পাচ্ছি না, বেনিফিট পায় কারা? ওই যারা ১৫ % ডাইরেক্ট ট্যাক্স দেয়। বাজেট বিরোধী কোন কথা বলার অধিকার জনগণ দেয় না। নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ঢাকা-৫ আসনের নাগরিকরা।

আমি নির্বাচিত হলে তাদের সমস্ত সুবিধা প্রদান করবো। এখানে প্রধান সমস্যা ডিএনডির জলাবদ্ধতা, আমি এটার সমাধান করবো। এখানে একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করবো। একটা মেডিকেল কলেজ ও হসপিটাল স্থাপন করবো। এখানে ১০ থেকে ২০টা নামিদামি স্কুল আছে, যেখানকার শিক্ষার্থীরা এসএসসি পাস করে  ঝড়ে যাচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার কোন প্রতিষ্ঠান এখানে গড়ে উঠেনি। আমি উচ্চ শিক্ষার জন্য ব্যবস্থা করবো। দক্ষ জনশক্তি গড়ার কোন মাধ্যম নেই, আমি তারও ব্যবস্থা করবো, যেন দক্ষ জনশক্তি বিদেশে রপ্তানী করে রেমিটেন্স আরো বাড়ানো যায়।

পরিচিতি: সভাপতি, জাসদ, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ)/মতামত গ্রহণ: মো. এনামুল হক এনা/সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত