প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সমালোচনা-উৎকণ্ঠার মধ্যে ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শনে মেলানিয়া ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মা-বাবার কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া দুই হাজারের বেশি শিশুর ভবিষ্যত নিয়ে উৎকণ্ঠার মধ্যেই টেক্সাসের একটি ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। ওই শিবিরে ৫৮টি পরিবারবিচ্ছিন শিশু রয়েছে।
বৈধ কাগজপত্র ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে দেশটির সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার পর এই শিশুদের তাদের মা-বাবার কাছ থেকে সরিয়ে ওই ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়।

যদিও বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন, যেটি তার ওই নীতি থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। ওই আদেশ অনুযায়ী, অভিবাসী পরিবারগুলো তাদের এ সংক্রান্ত মামলা শুনানি শুরু হলে একত্রে (ডিটেনশন সেন্টারে) থাকতে পারবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন যদি অভিবাসী পরিবারগুলোকে ২০ দিনের বেশি বন্দি করে রাখে তবে নতুন এ নীতিও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। কারণ মার্কিন আইন অনুযায়ী, অভিবাসী শিশুদের ২০ দিনের বেশি বন্দি করে রাখা যায় না।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন জানিয়েছে, তারা প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী পরিবারগুলোকে পুনরেকত্রিকরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে এই শিশুদের মা-বাবারা যেহেতু অভিবাসন সংক্রান্ত মামলার শুনানির জন্য জেল হাজতে রয়েছেন, ফলে একত্রিকরণ কীভাবে করা হবে তা সংস্থাটি পরিষ্কার করেনি।

ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী আগের পরিকল্পনাটি খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। ট্রাম্প অবশ্য বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি টুইট করে এ সংকটের জন্য বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলকে দোষারোপ করেছেন।
অন্যদিকে, রাজনৈতিকভাবে ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কায় রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা এ সংকট সমাধানে একটি বিল আনার চেষ্টা করছেন। তবে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত আইনের দাবিতে অটল রয়েছেন।
ডেমোক্র্যাট নেতা ন্যান্সি পেলোসি বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে আন্তরিক; কিন্তু আমরা মনে করি না শিশুদের খাঁচায় পুরে তা করতে হবে।এটি মানুষের আচরণের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।’
আজ শুক্রবার রিপাবলিকানদের আনা বিলের ওপর মার্কিন আইনপরিষদে ভোটাভুটি হওয়ার কথা। বিলে নথিহীন শিশু অভিবাসীদের সীমান্তে তাদের পরিবারের সঙ্গে রেখে কীভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া যায় তার একটি রূপরেখা রয়েছে। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত