প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়ার অসুস্থ্যতা নিয়ে রাজনীতি নয় : ডা. শুভ

রিকু আমির : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থ্যতা নিয়ে কোনো রাজনীতি করা হচ্ছে না উল্লেখ করে দলটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. ফাওয়াজ হোসেন শুভ বলেছেন, আমরা খালেদা জিয়াকে সুস্থ্য চাই। এখন সরকার খালেদা জিয়াকে সুস্থ্য চান কি-না, সেটাই প্রশ্ন।

আমাদের সময় ডটকমকে দেয়া সাক্ষাতকারে গত মঙ্গলবার শুভ এ কথা বলেন। নানা সময়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- খালেদা জিয়ার অসুস্থ্যতা কেন্দ্র করে বিএনপি রাজনীতি করছে বা করতে চাচ্ছে।

শুভ বলেন, কীভাবে রাজনীতির প্রশ্ন আসে? ম্যাডামের চিকিৎসার সাথে যুক্ত আমাদের চিকিৎসকদের কেউ-ই বিএনপি বা এর অঙ্গ সংগঠনের পদধারী নয়। আর তাদের কেউ ম্যাডামের চিকিৎসার জন্য সম্প্রতি নতুনভাবে যুক্ত হননি। যদি এমন হতো আমি, মূল দলের বা অঙ্গ সংগঠনের পদধারী কেউ অথবা আমাদের ডাক্তারদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর পদধারী কেউ যুক্ত- তাহলে একটা কথা ছিল।

তিনি বলেন, আমাদের চিকিৎসকরা দীর্ঘ সময় ধরে ম্যাডামের চিকিৎসা দিচ্ছেন। এতে করে এসব চিকিৎসকদের উপর ম্যাডামের ও আমাদের আস্থা স্বাভাবিকভাবেই অনেক অনেক বেশি। রোগী যে চিকিৎসকের উপর আস্থা পান, সে চিকিৎসককে দেখাতে আগ্রহী কী হতে পারেন না?

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এর উপর কী আপনাদের আস্থা নেই? এ প্রশ্নে ফাওয়াজ হোসেন বলেন, আস্থার সংকট তো সরকারই তৈরি করেছে। ম্যাডাম অজ্ঞান হবার পর সরকার তো আমাদের জানায়নি। আত্মীয়-স্বজনরা দেখা করার পর বিষয়টি ধরা পড়ে এবং আমরা যখন এটি নিয়ে কথা বলতে শুরু করি, তখন সরকার আমাদের চিকিৎসকদের যেতে অনুমতি দেয়। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত সরকার একজন চিকিৎসকের তত্বাবধায়নেও ম্যাডামের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেনি। উনার যে সমস্যা আমরা ধারণা করছি- মাইল্ড স্ট্রোক, টিআইএ হয়েছে, এ সমস্যা হলে রোগীকে জরুরিভিত্তিতে সিটিস্ক্যান-এমআরআই করে চিকিৎসা শুরু করতে হয় চিকিৎসা শাস্ত্র অনুযায়ী। নয়তো ৩০দিনের মধ্যে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হবার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়।

এই যে আওয়ামী লীগের কেউ কেউ বলছেন, সুগার ফল করায় ম্যাডাম অজ্ঞান হয়েছিলেন, কীসের ভিত্তিতে এই কথা বলা হলো? কোনো পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হলো না, কোনো কাগজপত্রও নেই।

ওই প্রশ্নে উত্তরে শুভ আরও বলেন, ‘ম্যাডাম ইউনাইটেড হাসপাতালে কেন যেতে চাইবেন না? এই হাসপাতালের উপর তার যে আস্থা আছে, সেই আস্থা নেই বিএসএমএমইউ বা সিএমএইচের উপর। উনার প্রতিস্থাপিত হাঁটুতে নিয়মিত থেরাপি দেয়াসহ অন্য জটিলতার জন্য চিকিৎসা গ্রহণ করা হতো ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে। এখানের যে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং প্রশিক্ষিত জনবল, তা দেশের অন্য কোথাও নেই। যারা ইউনাইটেডে ম্যাডামকে থেরাপি দিতেন, তাদের মতো দক্ষ কেউ তো ওই দুই হাসপাতালে নেই। একজন রোগী তার আস্থার হাসপাতালে যেতে চাইবেন- এটা খুবই স্বাভাবিক।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত