Skip to main content

ট্রাম্প-কিমের বৈঠকে আবেগে আপ্লুত রডম্যান

রাশিদ রিয়াজ : যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে এ বৈঠকের জন্যে অনেক আগে থেকেই চেষ্টা করছেন সাবেক মার্কিন বাস্কেট বল তারকা ডেনিস রহম্যান। উত্তর কোরিয়া ভ্রমণ করেছেন, দেশটির নেতা কিম জং উনের সঙ্গে যেমন তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে, একই ধরনের সম্পর্ক রয়েছে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে। কপাল মন্দ বারাক ওবামা ডেনিস রডম্যানকে সুযোগ ও সময় দেননি। অথচ ২০১৪ সালেই উত্তর কোরিয়া ভ্রমণ করার সময় য্ক্তুরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন রডম্যান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে তার কাজের জন্যে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাই এই দুই নেতার বৈঠকের সময় সিঙ্গাপুর ছুটে এসেছেন রডম্যান। কালো রোদচশমা পরিহিত রডম্যান সিএনএন’এর সাংবাদিক ক্রিস কিউমোকে জানান, পয়সার জন্যে তিনি এ কাজ করেননি। বরং এ বৈঠক শুরু হবার পর খুশিতে কান্নায় তার অশ্রুজল গড়িয়ে পড়ে। বলেন, মহান দিন এটি। এখানে এসেছি তা দেখতে। আমি খুবই খুশি। যখন উত্তর কোরিয়া ভ্রমণ করি তখন নিজ দেশেই রয়েছি এমন অনুভব করেছি। কিম আসলে এক বড় বালকের মত উদার। তিনি সেলফি তুলতেও পছন্দ করেন। বিশ্বে খ্যাতিমান হবার জন্যেও আমি এ চেষ্টা করিনি। এখন মনে করছি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনুভব করবেন উত্তর কোরীয়দের হৃদয় রয়েছে। তারাও ভালবাসা জানে। ক্রিসমাস হয় সেখানেও। কিমকে একজন ভাল বন্ধু বলেও দাবি করেন রডম্যান। সম্ভবত রডম্যান বিশ্বে একমাত্র ব্যক্তি যিনি ট্রাম্প ও কিমের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রাখেন। রডম্যান আরো বলেন, যদি কিম ও ট্রাম্প নিজেদের বুঝে উঠতে পারেন, আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলেন, হাসিতে মেতে ওঠেন, কৌতুক করেন তাহলে বিশ্ব আরেকটি যুদ্ধ এড়াতে পারবে। কিম ও রডম্যান পড়ালেখাও করেছেন সুইজ্যারল্যান্ডে। রডম্যান আরো বলেন, কিম বধির নন। তিনি তার জনগণকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন। তার দেশের সন্মান তার কাছে সবকিছু। অলৌকিক কিছুর প্রয়োজন নেই। আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে, এবং বিশ্বকে বাসযোগ্য করার অংশ হিসেবেই উত্তর কোরিয়া যুক্ত হচ্ছে, সেটাই কম কিসে।

অন্যান্য সংবাদ