প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সমাজকে মাদক অভিশাপ মুক্তির সমাধান যাত্রা

ড. অনুপম সেন: মাদকমুক্ত সমাজ আমাদের সবার প্রত্যাশা। কারণ মাদক কখনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। সমাজ ও রাষ্ট্রের অগ্রগতি, উন্নয়নে মাদক বড় হুমকি। ব্যক্তি ও পরিবারকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায় এই মাদক। মাদকের সামাজিক ও পারিবারিক প্রভাব অনেক। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা ভুলে যায় তাদের এই অনৈতিক ও ধ্বংসের পথ সমাজে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। অসুন্দরের বাস কখনোই তো কাম্য নয়। তরুণরা যদি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ কী হবে। পরিবারের সদস্যটি যদি মাদকে আসক্ত হয় তাহলে ওই পরিবারটির কী হবে তা কখনো ভাবে না মাদকদ্রব্য গ্রহণ ও ব্যবসায়িরা। পরিবার ও সমাজ থেকে এর ক্ষতিকর প্রভাব দূর করতেএরপর পৃষ্ঠা ৭, কলাম
(শেষ পৃষ্ঠার পর) সেই লক্ষ্যেই সরকার মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেও মাদক নির্মূলে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশেও এখন মাদক নির্মূলে অভিযান পরিচালনা করছে। তবে সেটা আইনি পন্থা অবলম্বন করেই। কিন্তু আইনি পন্থা যখন খুব জোরালভাবে করা হয়, বড় বড় মাদক কারবারীরাও কিন্তু কম শক্তিশালী নয়। তারাও তখন নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের শক্তি ব্যবহার শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতেই কিন্তু সংঘাতগুলো সৃষ্টি হয়। সংঘাতের ঘটনাকেই আমরা ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধ বলে অভিহিত করে থাকি। এখানে কতটুকু সত্যতা আছে জানি না। কিন্তু ্আজকে বাংলাদেশকে যদি মাদকমুক্ত করা না হয় তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরেরা তো ধংসের পথে নিয়ে যাবে দেশকে। বলা হয় প্রায় এককোটি মানুষ বাংলাদেশের মাকদাসক্ত বা মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত, এটা তো ভয়াবহ ব্যাপার। নতুন প্রজন্মের বিরাট একটা অংশ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে বলে বলা হয়। তাদেরকে এ থেকে রক্ষা করতে হলে তো রাষ্ট্রকে বড় ধরনের ভূমিকা নিতে হবে। নিরাপত্তা বাহিনীকে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে হবে। সেই ভূমিকা পালন করতে গিয়ে যদি আপাত দৃষ্টিতে যেটা মনে হতে পারে আইনের ব্যতিক্রম, আইনি পন্থার বহির্ভূত পন্থা, এমনটি মনে হতে পারে। দেশকে তো মাদকমুক্ত করতেই হবে।
পরিচিতি : উপাচার্য, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজবিজ্ঞানী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ