প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাসূল (সা.) প্রত্যহ একশতবার ইস্তেগফার পাঠ করতেন

আমিন মুনশি: আল্লাহর কাছে বান্দা তওবা ইস্তেগফার করলে আল্লাহতায়ালা অত্যন্ত খুশি হন। গুনাহ থাকুক বা না থাকুক প্রত্যহ তওবা ইস্তেগফার পড়া উচিত। সাইয়্যিদুল মুরসালিন নবি মুস্তফা (সা.) সম্পূর্ণভাবে বেগুনাহ ও নিরপরাধ ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও প্রত্যহ তিনি তওবা ইস্তেগফার করতেন। হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত- রাসূলে করিম (সা.) প্রত্যহ আল্লাহর কাছে একশতবার তওবা ইস্তেগফার পাঠ করতেন।

হযরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে অন্য এক হাদিসে বর্ণিত আছে- হুজুর (সা.) সাহাবায়ে কেরামগণকে এরশাদ করেছেন, তোমরা প্রভুর দরবারে তওবা কর। আমাদের গুনাহ যদি আসমান সমানও হয় এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, তবে তিনি নিশ্চয়ই ক্ষমা করে দেবেন।
অন্য এক হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি যেরকম আশা করে কেয়ামতের দিবসে তার আমলনামা তাকে খুশি করবে সে যেন অধিক মাত্রায় তওবা ইস্তেগফার করে। কোনো মুসলিম কোনো একটি গুনাহ করে ফেললে ফেরেশতারা সঙ্গে সঙ্গে আমলনামায় না লিখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে থাকে। ওই সময়ের মধ্যে যদি ওই গুনাহগার তওবা ইস্তেগফার করে ফেলে তবে তার আমলনামায় ওই গুনাহটি লিপিবদ্ধ হয় না এবং এ জন্য কিয়ামতের দিবসে তার কোনো শাস্তিও পেতে হবে না। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত- ইবলিশ মহান আল্লাহর কাছে বলেছিল, যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীতে আদম সন্তান জীবিত থাকবে, ততদিন আমি তাদের গোমরাহ করতে থাকব। তখন আল্লাহপাক এরশাদ করলেন, আমি আল্লাহর ইজ্জত ও বুজুর্গির শপথ করে বলছি- যতদিন পর্যন্ত মানুষ তওবা ইস্তেগফার করতে থাকবে ততদিন ধরে আমিও তাদের ক্ষমা করতে থাকব। আসুন আমরা সব মুসলিম নারী-পুরুষ আল্লাহর কাছে তওবা করি, পানাহ চাইতে থাকি যেন আমাদের নেক আমল নসিব করেন আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত।
মহান আল্লাহপাক আমাদের আরও শিখিয়েছেন, রাসূল (সা.) বলেছেন- হে আল্লাহ, তুমি আমার প্রভু, তুমি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ আর আমি তোমার বান্দা। আমি আমার সাধ্যমতো তোমার প্রতিশ্রুতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় ভিক্ষা করি। আমার প্রতি তোমার নেয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করছি, আর আমি আমার গুনাহর খাতা স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও। নিশ্চয়ই তুমি ছাড়া আর কেউই গুনাহগুলোর মার্জনাকারী নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত