প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সেতুর মধ্যে ‘মৃত্যুফাঁদ’

ডেস্ক রিপোর্ট : ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া ইউনিয়নের আকছাইল ব্রিজটিঢাকার কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া ইউনিয়নের আকছাইল ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। তবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজের ওপর দিয়েই প্রতিদিন শতশত যাত্রীবাহী মিনিবাস, মালবাহী ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা ও কাভার্ড ভ্যানসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। এই ব্রিজের ওপর দুর্ঘটনায় ইতোমধ্যে কয়েকজন নিহত হয়েছেন। পঙ্গু হয়ে গেছেন অনেকেই। এতো কিছুর পরও ব্রিজটিকে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

এলাকাবাসী জানান, ৩০-৩৫ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেসময় ব্রিজের ওপর দিয়ে খুব কম যানবাহন চলাচল করতো। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ব্রিজটির ওপর চাপ বেড়ে গেছে। এই ব্রিজ দিয়ে মালবাহী বড়বড় ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ নানা ধরনের যানবাহন সাভার, হেমায়েতপুর, হযরতপুর, বাকুর্তাসহ বিভিন্ন জায়গায় চলাচল করে। এছাড়া প্রতিদিন শতশত যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিকশাও ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচল করে থাকে। এতে ব্রিজের দু’পাশের রেলিং সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। ব্রিজের পাটাতনের বিভিন্ন অংশ ইতোমধ্যে ভেঙে পড়েছে। পিলারগুলো অনেক নাজুক অস্থায় আছে। দিনে যানবাহন কিছুটা চলতে পারলেও রাতের অন্ধকারে চলতে গিয়ে চরম বিপদের মুখে পড়তে হয়। ব্রিজটি যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে বলেও অনেকে ধারণা করছেন।

আকছাইল গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেন বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ব্রিজটি দীঘদিন ধরে মেরামত করা হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন যাত্রীবাহী ও মালবাহী যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেছে। এটি এখন চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগী। তাই এটি ভেঙে নতুন ব্রিজ করা উচিত।’

কলাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার টিপু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রামেরকান্দা থেকে হযরতপুর যেতে এই রাস্তাটির বিকল্প কোনও রাস্তা নেই। তাই বাধ্য হয়েই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এবং বিভিন্ন মালবাহী যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচল করছে। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে জানানো হলেও তাদের টনক নড়েনি।’
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করে আকছাইল ব্রিজ দিয়ে

কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহজাহান আলীর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘শিগগিরি ব্রিজটি ভেঙে ফেলে নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।’ সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত