Skip to main content

‘তিন সপ্তাহ যাবৎ জ্বরে ভুগছেন খালেদা জিয়া’

শিমুল মাহমুদ : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডে ১৭ একরের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের একমাত্র আসামি তিনি। গতকাল তার কারাবাসের চারমাস পূর্ণ হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তিনি কয়েক দফায় ভাই-বোনসহ আত্মীয় স্বজন ও কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী ও দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতার সাক্ষাৎ পেয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বিকালে তার সঙ্গে ভাই শামীম ইস্কানদারসহ পরিবারের ৫ সদস্য সাক্ষাৎ করেন। শামীম ইস্কান্দারের সঙ্গে ছিলেন কানিজ ফাতেমা, এভিক ইস্কানদার, এরিক ইস্কানদার ও বেগম খালেদা জিয়ার বোনের ছেলে ড. মামুন। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিকটাত্মীয়রা তার সঙ্গে কারাগারে গিয়ে সাক্ষাত করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে তারা খালেদা জিয়া সম্পর্কে যে বর্ণনা দেন তা শুধু মর্মস্পর্শীই নয়, হৃদয়বিদারক। নিকটাত্মীয়রা বলেছেন গত ৫ জুন বেগম খালেদা জিয়া দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন। তিনি তিন সপ্তাহ যাবৎ ভীষণ জ¦রে ভুগছেন যা কোনক্রমেই কমছে না। চিকিৎসা বিদ্যায় যেটিকে বলা হয় টিআইএ (ট্রানজিয়েন্ট স্কীমিক এ্যাটাক)। খালেদা জিয়ার দুটো পা-ই এখনো ফুলে আছে এবং তিনি তার শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারছেন না। তবে অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও গতকাল পর্যন্ত সবকটি রোজাই রেখেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। সবগুলো রোজাতেই সেহরি ও ইফতারে তিনি কারা কর্তৃপক্ষের দেয়া খাবার খেয়েছেন। একজন কারা কর্মকর্তা জানান, ইফতারের মেনুতে শরবত থাকলেও খালেদা জিয়া তা পান করেন না। তিনি পেঁপের জুস পান করেন। তাকে তাই সরবরাহ করা হয়। এছাড়া তিনি বাইরের খাবারও খান না। ওই কর্মকর্তা বলেন, খালেদা জিয়া পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। অসুস্থ হওয়ায় বিছানায় বা চেয়ারে বসে নামাজ পড়েন তিনি। কারা কর্মকর্তা আরো বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের মতোই রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে দেয়া ওষুধ ১০দিন খেয়েছেন। এখন আর খাচ্ছেন না।

অন্যান্য সংবাদ