প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বড় বড় মাদক ডনেরাও শেষ পর্যন্ত ধরা পড়বে : ড. অনুপম সেন

আশিক রহমান: ক্ষুদ্র বা মাঝারি মাদক কারবারীদের মতো বড় বড় মাদক ডনেরাও শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর উপর ধরা পড়বে বলে মনে করেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সমাজবিজ্ঞানী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ম-লীর সদস্য ড. অনুপম সেন। আমাদের নতুন সময়ের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যে সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি তো সারাক্ষণ লোকজনের মধ্যেই থাকেন। যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ না পাচ্ছেন ততক্ষণ তো মামলা করা যাচ্ছে না। আর তিনি যদি কোনো ধরনের বিট্টেতে না জড়ান তাহলে তার বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাবেন কী করে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমনের মামলা চলছে। কিছুদিন তো তিনি জেলেও ছিলেন, পরে জামিন নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন। যেহেতু মামলাটি জামিনযোগ্য তাকে জামিন দিতে বাধ্য হয়েছে উচ্চ আদালত।

তিনি আরও বলেন, সাংসদ বদির বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব পোষণ করে সরকার। তার বিরুদ্ধে তো দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা চলছে। তার একজন আত্মীয়ও নিহত হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার করেই বলা হচ্ছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছেন, মাদক কারবারের সঙ্গে যিনিই যুক্ত থাকুন না কেন, কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রীও মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। মাদকের বিরু্েদ্ধ যদি জিরো টলারেন্স অবস্থান না নেওয়া হয় তাহলে দেশটা তো নষ্ট হয়ে যাবে। সমাজ ধ্বংস হবে। ধ্বংস হয়ে যাবে এই অর্থে আমাদের নতুন প্রজন্ম যদি মাদকাসক্ত হয়ে যায় আমরা এগোব কী করে। আমাদের তো এগোনোর পথ বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে আমাদেরকে যেকোনোভাবেই হোক দেশকে মাদকমুক্ত করতেই হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. অনুপম সেন বলেন, বড় বড় মাদক ডনদের বিরুদ্ধে যদি ১০-১২ টা মামলা-মোকদ্দমা হয়, তার মানে তাকে যতবারই মাদক কারববার থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হোক না কেন, জামিন নিয়ে ফিরে এসে বারবার সে একই কারবারের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। বারবার এ মাদক দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিচ্ছে। কোনোভাবেই তাকে নিবৃত্ত করা যাচ্ছে না। আইনের মাধ্যমেই তো অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। হতাহতের ঘটনা ঘটছে। কারণ তাকে যখন ১০-১৫ মামলা দিয়ে এ কারবার থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তা সে শুনছে না। যখন তাকে নিরাপত্তা বাহিনী তাকে ধরতে যাচ্ছে সে অস্ত্র প্রয়োগ করে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে তখন নিরাপত্তা বাহিনী আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এটা তো আইনি প্রক্রিয়াই। অথবা তাদের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ যারা এই মাদক দেশব্যাপী ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কমবেশি দশটা করে মামলা আছে। তারা একবার ধরা পড়ছে, আবার জামিনে বেরিয়ে আসছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত