প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাদল রায়ের জীবন নিয়ে আতঙ্কে পরিবার

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি বাদল রায়ের জীবন নিয়ে আতঙ্কে তার পরিবার। এজন্য বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করেছেন বাদল রায়ের স্ত্রী মাধুরী রায়।

বাফুফের তিনবারের নির্বাচিত সহ-সভাপতি বাদল রায়। শুরু থেকেই অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার। মাঝে ফেডারেশনে এসে হৈচৈও করেছেন। এ নিয়ে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগের সঙ্গে বাদল রায় ও তার স্ত্রী মাধুরীর বাফুফে ভবন ও ফোনে বাদানুবাদও হয়েছে। ঘটনার জের ধরে শেষ পর্যন্ত মাধুরী ওয়ারী থানায় সোহাগের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন, যার নম্বর ১৮৫৯।

২৬ মে করা ডায়েরিতে মাধুরী রায় উল্লেখ করেছেন, “আবু নাইম সোহাগ হুমকির স্বরে বলেছেন, ‘তিনি (বাদল রায়) যেন ফেডারেশনে না আসেন। এলে যেন চা খেয়েই চলে যান।’ এ ধরনের ফোন আমার কাছে হুমকি ও বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের আভাস বলে মনে হয়। তাই আমার স্বামীর সম্মান ও জীবনের ব্যাপারে আতঙ্কে আছি।’

বুধবার দিবাগত রাতে মাধুরী রায় বলেছেন, ‘‘একদিন সোহাগ ফোন দিয়ে আমাকে বললো, ‘মনে কিছু করবেন না। দাদা (বাদল রায়) বাফুফেতে এলে বেশ চেঁচামেচি করে। গালি দেয় পিওনদের। গ্লাস ভেঙে ফেলছে।’ কেন এমন হলো জানতে চাইলাম তার কাছে। সোহাগ বললো, ‘আসলে উনার উত্তেজিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। অসুস্থ হয়ে যাবে। কী দরকার।’’

একটু দম নিয়ে মাধুরী আবার বলতে শুরু করেন, “সোহাগকে বলেছি আমি, বাদল রায় তো দুই পয়সা আয়ের জন্য যায় না বাফুফেতে। তখন সে বললো, ‘ডেভলপমেন্ট কমিটির কাজকর্ম নিয়ে চেঁচামেচি করে। এগুলো না করাই ভালো। অসুস্থ হলে তাকে কে হাসপাতালে নিয়ে যাবে।’’

বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনকেও বিষয়টি জানিয়েছেন মাধুরী। কিন্তু তাতে কাজ তো হয়ইনি, উল্টো মামলা করার হুমকি দিয়েছেন তিনি। মাধুরী পুরো ঘটনাটা বলেছেন এভাবে, “আমি একসময় সালাউদ্দিন ভাইকে ফোন দেই। সোহাগের বিষয়টি তখন জানাই। তখন সে আমাকে কথা বলার সুযোগ দিল কমই। বললো, ‘বাদল গ-গোল করে, উস্কানিমূলক কথা-বার্তার সব কিছুই ও করে। ওর বিরুদ্ধে মামলাও করতে যাব আমি। আমার বিপক্ষে সোনালী অতীতে গিয়ে গসিপ করে। আমার বিপক্ষে নির্বাচন করে।’ তখন আমি তাকে বললাম, ‘বাদল আপনার পক্ষে জান-প্রাণ দিয়ে নির্বাচন করেছে।’ কিন্তু সালাউদ্দিন ভাই কোনও কিছু শুনতে চাইলেন না।’’

বাদল রায় আরও বলেছেন, ‘আমি অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলি, সেটা তাদের সহ্য হয় না। আমি ফেডারেশনে না আসি, সেটাই তারা চায়। আমি নাকি সালাউদ্দিন সাহেবের পা ধরেছি, আমার স্ত্রীর কাছে সেটাও সে বলেছে। পুরোপুরি মিথ্যা কথা। আমি কয়েকদিন বিষয়টি চেপে রেখেছি, এড়িয়ে যেতে চেয়েছি। কিন্তু ওরা বাড়াবাড়ি করেই যাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছি। এর একটা প্রতিকার হওয়া দরকার।’

বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ সৌদি আরবে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বাংলা ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত