প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লক্ষ্যমাত্রা এক হাজার মেট্রিক টন
সাতক্ষিরার হিমসাগর দিয়ে শুরু হয়েছে চলতি মৌসুমের আম রপ্তানী

মতিনুজ্জামান মিটু : ইতালিতে সাতক্ষিরার এক মেট্রিক টন হিমসাগর দিয়ে শুরু হয়েছে চলতি মৌসুমের আম রপ্তানী। গত ১৯ মে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর দিয়ে আমের প্রথম চালানটি ইতালিতে পাঠায় রাজধানী ঢাকার এন আর এন্টারপ্রাইজ। এবছর ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এক হাজার মেট্রিকটন আম রপ্তানীর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মৌসুম অর্থাৎ ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৩২৫ মেট্রিক টন আম রপ্তানী হয়েছিল।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে চলতি মৌসুমের বুধবার পর্যন্ত ১৬ মেট্রিক টনের বেশি আম রপ্তানী হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেধে দেয়া শর্ত হবহু মেনেই রপ্তানী করা হচ্ছে বাংলাদেশের আম। গুড এগ্রিকালচার প্রাকটিস, ট্রেস এলিটি সংরক্ষণ এবং গুড হ্যান্ডলিং প্রাকটিস মেনে আম উৎপাদন ও দেশে বিদেশে বিপনন করা হচ্ছে এবারের আম। চলতি মৌসুমে দেশের ২৩ টি আম উৎপাদনকারি জেলার মধ্যে চারটি’র অর্থাৎ সাতক্ষিরা, যশোর, রাজশাহী ও চাপাই নবাবগঞ্জের চুক্তিবদ্ধ চাষিদের আম ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানী হবে।

ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের ওই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে; ইতালি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, সুইডেন, সৌদি আরব, ব্রুনাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার। ইউরোপের দেশগুলোর মূল মার্কেটে নয় সেখানকার এথনেক মার্কেটে যাবে এবং বিক্রি হবে বাংলাদেশের আম। ২৮ জন রপ্তানীকার চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ওই দেশগুলোতে আম পাঠাতে পারবেন। চুক্তিবদ্ধ চাষি ৩২৪জন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ অর্থাৎ কুয়ারেন্টাইন উইং এর নিবিড় তত্ত্বাবধানে চলতি মৌসুমের চুক্তিবদ্ধ জমির চাষিদের আম রপ্তানী এবং ঢাকার আগোরাসহ চেইন শপগুলোতে বিপনন হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং এর উপপরিচালক(রপ্তানী) কৃষিবিদ মুহা. আনোয়ার হোসেন খান বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবগুলো শর্ত অনুযায়ি গুড এগ্রিকালচার প্রাকটিস, ট্রেস এলিটি সংরক্ষণ, গুড হ্যান্ডলিং প্রাকটিসসহ ১৮টি কার্যক্রম এবং ২৬ টি নীতিমালা অনুসরণ এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই আম উৎপাদন, বিদেশে রপ্তানী ও দেশের অভ্যন্তরের চেইন শপগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। চুক্তিবদ্ধ চাষিদের জমির গাছ থেকে আম পেড়ে পেটিতে ভরে প্যাকিং এবং সীল গালা করে শ্যামপুরের কেন্দ্রীয় প্যাকিং হাউসে আনানো হচ্ছে। এখানে কুয়ারেন্টাইন কার্যক্রম শেষে আবারো ওই আম প্যাকিং এবং সীলগালা করে নিবিড় তদারকির মাধ্যমে আম বিদেশে রপ্তানী এবং দেশের চেইন শপে বিক্রির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে চারটি জেলা থাকলেও আগামীতে দেশের ১৫টি জেলাকে এই প্রক্রিয়ায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাতক্ষিরার উপপরিচালক কৃষিবিদ কাজী আবদুল মান্নান বলেন, ইতালিতে পাঠানো প্রথম চালানে হিমসাগর আম ছিল। পর্যায়ক্রমে ল্যাংড়া এবং আ¤্রােপালিও যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত