প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়া ছাড়াই পালিত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী

শাহানুজ্জামান টিটু : আজ প্রায়ত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাতবার্ষিকী। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশেষ বাণী দিয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশনেত্রীকে মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সাজানো মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়েছে। এ যেন গণতন্ত্রকেই কারাগারে আটকিয়ে রাখা। জনমনে ভয় আর আতঙ্ক সৃষ্টি করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ চালানো হচ্ছে। এমতাবস্থায় হারানো গণতন্ত্র পূণরুদ্ধারে সকল গণতন্ত্রকামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পূণরুদ্ধারের আপোষহীন নেত্রী কারাবন্দী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আবারও তাঁর নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ১০ দিনের কর্মসূচি পালন করছে। তবে এবার জিয়াউর রহমানের মৃত্যু দিবসটি পালন করছে সর্ম্পূণ ভিন্ন পরিবেশে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একটি দূর্নীতি মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারা ভোগ করছেন। দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন, দুঃস্থদের মধ্যে ইফতার, খাবার ও নতুন কাপড় বিতরণ, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাব সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত নয়াপ্লটন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেবে।

দলের প্রতিষ্ঠাতার শাহাদাতবার্ষিকী দেওয়া বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পূণ:প্রবর্তনকারী, ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ কালজয়ী দর্শনের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের রুপকার, সফল রাষ্ট্রনায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদৎবার্ষিকীতে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। শহীদ জিয়ার অম্লান আদর্শ, দর্শন ও কর্মসূচি আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং দেশীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির রক্ষাকবচ।

তিনি বলেন, এই মহান জাতীয়তাবাদী নেতার জনপ্রিয়তা দেশী-বিদেশী চক্রান্তকারী শক্তি কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই অশুভ চক্র তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এই চক্রান্তকারীরা ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে একজন মহান দেশপ্রেমিককে দেশবাসী হারায়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান অনৈতিক সরকার একদলীয় সরকারের আদলে দেশ পরিচালনা করছে। কেন্দ্রীভূত স্বৈরতন্ত্রের প্রতিভূ বর্তমান সরকার। এরা নতূন কায়দায় পুরানো বাকশালকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। বিরোধী দলের অধিকার, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ভূলুন্ঠিত করে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। জাতীয় জীবনের চলমান সংকটে শহীদ জিয়ার প্রদর্শিত পথ ও আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং জাতীয় স্বার্থ, বহুমাত্রিক গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষায় ইস্পাতকঠিন গণঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত