প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টেকনাফে কাঠচোরের হামলায় রেঞ্জারসহ আহত ৭

ফরহাদ আমিন,টেকনাফ(কক্সবাজার): কক্সবাজারের টেকনাফ উপক’লীয় ইউনিয়ন বাহারছড়া এলাকায় সংঘবদ্ধ কাঠচোর চক্রের হাতে উজাড় হতে চলছে সৃজিত ঝাউ বাগান। কাঠ চুরির ঘটনায় বাঁধা দিতে গিয়েই রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৭ জন আহত হয়েছে। এ সময় আত্নরক্ষার্থে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মোবাইল কোর্ট অভিযানে গিয়ে হাতে-নাতে একজনকে আটক করে সাজা প্রদান করেছে।

জানা যায়, ২০০২ সালে সৃজিত টেকনাফের উপকূলীয় বাহারছড়ার শীলখালী ঝাউ বাগানে সোমবার দুপুরে জনৈক কাঠচোর আবুল হাশেম ও তার সহযোগীরা ঝাউ বাগান উজাড়ের সংবাদ পেয়ে বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ বনরক্ষীদের নিয়ে অভিযানে গেলে কাঠচোরদের হামলায় রেঞ্জার, বিট কর্মকর্তা মাহফুজুল আলমসহ আহসানুল কবির, মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, নুরুজ্জামান, মাহফুজ আলম, রফিকুল ইসলাম আহত হয়। আহতদের মধ্যে আহসানুল কবির ও ইউসুফ আলী গুরুতর আহত হয়।

এসময় বন কর্মকর্তারা আত্নরক্ষার্থে দুই রাউন্ড ফাঁকাগুলি বর্ষণ করলে কাঠ চোরেরা পালিয়ে যায়। পরে একদল যুবক উক্ত বাগানে মাদক সেবনের আড়ালে গাছ কর্তনের খবর পেয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় চাকমার নেতৃত্বে একটি টিম অভিযানে গিয়ে উক্ত বাগানের গাছ কর্তনকালে উত্তর শীলখালী এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আবুল হাশেমকে হাতে-নাতে আটক করে।

তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৩ মাসের সাজা প্রদান করা হয়। এরপর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট উপকূলীয় বাগান পরিদর্শন করে এই বাগান উজাড়রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রণয় চাকমা জানান, উপকূলীয় বাগান রক্ষায় মোবাইল কোর্ট অভিযানে একজনকে আটক করে সাজা প্রদানের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য,উপকূলীয় বনবিভাগের লোকজন অভিযান চালিয়ে গত ১৬ মে স্থানীয় মমতাজুল ইসলাম ও ২৭ মে মামুনুর রশিদ নামে ২জনকে আটকের পর বন মামলায় আদালতে প্রেরণ করেন।

এদিকে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, উত্তর শীলখালী মাঝের পাড়া এলাকার অলি চাঁদের ছেলে, খুচরা মাদক ব্যবসায়ী আব্দু ও জনৈক গুরাইয়া নামে দুই ব্যক্তি মাদক সেবীদের প্ররোচিত করে উক্ত বাগানের গাছ কর্তনের পর স্বল্প দামে কিনে আবার চড়াদামে নৌকা-বোট মেরামত কাজে সরবরাহ করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত