প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চীনে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের ‘ছায়া ব্যাংক’ বিরোধী অভিযান

রাশিদ রিয়াজ : আন্তঃব্যাংক ঋণ বা অবৈধ সম্পদের খোঁজে বেশ কিছু সফলতা পেলেও চীনে ১০ ট্রিলিয়নের ‘ছায়া ব্যাংক’ বিরোধী অভিযান পুরোপুরি শেষ হতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে। গত এক বছর ধরে এধরনের অভিযানের পর চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিবৃতি দিয়ে বলছে এধরনের অভিযানের ফলে নগদ তহবিলের কোনো সংকট সৃষ্টি হবে না। ‘ছায়া ব্যাংক’ হচ্ছে অবৈধ বা অনুমোদিত ব্যাংকিং কার্যকলাপ যার মাধ্যমে দেশটিতে লেনদেনের পরিমাণ বছরে ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ব্লুমবার্গ

হংকংএর অর্থনীতিবিদ ল্যারি হু বলছেন, এ অভিযানের ফলে ‘ছায়া ব্যাংকিং’ এর কার্যকলাপে কিছুটা হলেও ধীর গতি লক্ষ্য করা গেছে কিন্তু মূল কাজ এখনো বাকি। কারণ এখনো অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাংকগুলোকে ‘ছায়া ব্যাংকিং’ এর জন্যে প্রচ- চাপ সৃষ্টি বা প্রভাব বিস্তার করছে যার ফলে তদারকি বা নিয়ন্ত্রণ শিথিল হয়ে পড়ায় খেলাপির সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। মুডি ইনভেস্টরস সার্ভিসের পরিসংখ্যান বলছে, ‘ছায়া ব্যাংকিং’ এর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের ফলে এর গতি ২০১৬ সালের তুলনায় ৮ ভাগ হ্রাস পেয়েছে। তারপরও এর পরিমাণ গত ৫ বছরে দাঁড়িয়েছে চীনের জিডিপির ৭৯ ভাগ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে লুকায়িত নির্ভরশীলতা ও বড় ধরনের সম্পদ বিক্রি ব্যবস্থাপনার দিকে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।

হংকংএর আরেক বাজার বিশ্লেষক ঝিয়া লি বলেন, ‘ছায়া ব্যাংকিং’এর বিরুদ্ধে এ যুদ্ধ সুপরিকল্পিত না হলে অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা বয়ে আনার আশঙ্কা রয়েছে। খেলাপি ঋণ আদায় বা হ্রাসে বন্ধকী সম্পদ দ্রুত বিক্রি আপাত দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থা হলেও তা যাতে অর্থনীতি সহায়ক হয়ে ওঠে সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি। তবে এধরনের অভিযানের ফলে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের ওপর কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হয়েছে। অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর ব্যাংকের নির্ভরশীলতা হ্রাস পেয়েছে। বিনিয়োগ তহবিল ও সিকিউরিটিস ব্রোকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে তদারকির কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে বাধ্য করা সম্ভব হয়েছে। ফলে তারা সহজে ঋণ দেওয়া বা এ জন্যে চাপ সৃষ্টি অত সহজে করতে পারছে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত