প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মনোকষ্ট নিয়ে ঢামেক ছেড়েছেন বাজনদার!

ডেস্ক রিপোর্ট: “আড়াই বছর বার্ন ইউনিটে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছি। ২৫টি অস্ত্রোপচার হয়েছে আমার হাত-পায়ে। আবার শিকড় গজাচ্ছে। আমার এখনও মনোবল আছে, আমি সুচিকিৎসা চাই।”

এভাবেই কথাগুলো বলেছেন ট্রি-ম্যান সিনড্রোমে ভোগা আবুল বাজনদার। গত শনিবার (২৬ মে) দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ছেড়ে খুলনার পাইকগাছার সরল গ্রামের নিজ বাড়িতে চলে গেছেন তিনি।

সোমবার (২৮ মে) রাতে মোবাইল ফোনে কথা হয় বিরল রোগে আক্রান্ত বাজনদারের সঙ্গে। তিনি জানান, ধাপে ধাপে তার হাতে ও পায়ে ২৫টি অস্ত্রোপচার হয়। হাত-পায়ের দুই-এক জায়গায় মূল শিকড় উঠিয়ে ফেললেও বাকি জায়গা দিয়ে আবারো আগের মতো করে শিকড় উঠেছে।

বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা তাকে জানিয়েছেন, এটি জেনেটিক সমস্যা, তার আবারও অস্ত্রোপচার লাগবে। তবে সারাজীবন এভাবেই থাকতে হবে। শিকড় আবারও উঠবে।

হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে আবুল বাজনদার বলেন, চিকিৎসকদের কাছে কিছুদিন আগে আমি ছুটি চাই, তখন চিকিৎসকরা জানান তোমার ছুটি নিতে হলে কাগজে সই দিতে হবে। কাগজে অনেক কিছু লেখা ছিল তাই আমি সই দেই নাই।

বাজনদার আরও বলেন, আড়াই বছর ধরে আমার চিকিৎসা চলছিল বার্ন ইউনিটে। আগে চিকিৎসকরা কখনও বলেননি তোমার রোগটি জেনেটিক সমস্যা। এখন তারা বলছেন রোগটি সারবার নয়, জেনেটিক সমস্যা। যতবার হবে ততবার অস্ত্রোপচার করা লাগবে। সারাজীবন ধরে চলবে এই রকম চিকিৎসা।

দুঃখ প্রকাশ করে বাজনদার বলেন, আমার মনোবল এখনও আছে, আমি সুচিকিৎসা চাই।

এ ব্যাপারে কথা হয় বার্ন ইউনিটে সমন্বকারী ডা. সামন্ত লাল সেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, বাজনদার কিছু দিন আগে হাসপাতাল থেকে বাড়ি যাওয়ার জন্য ছুটি চাইলে তাকে বলা হয় হাসপাতালের কিছু নিয়ম আছে সেই নিয়ম পালন করে তোমার যেতে হবে। যেমন ছুটির কাগজে তোমার সই দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাজনদারের রোগটি জেনেটিক সমস্যা। তার আবার অস্ত্রোপচারের জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু বাজনদার কাউকে কিছু না বলে হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছে। সূত্র : বাংলা নিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত