প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনী বছর
এলসি খোলা বেড়েছে ৫২ শতাংশ, পাচারের আশঙ্কা

জাফর আহমদ: চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পণ্য আমদানির জন্য (ঋণপত্র) এলসি খোলার হার বেড়ে গেছে। জুলাই-এপ্রিল ১০ মাসে এলসি খোলার হার বেড়েছে ৫১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। গতবছরে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ হার ছিল ১৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকসুত্রের। নির্বাচনী বছরে পণ্য আমদানির বৃদ্ধির এই হারকে সন্দেহের চোখে দেখছে অর্র্থনীবিদরা। তবে এ বছর খাদ্য আমদানি বেড়ে যাওয়ার কারণে আমদানির এলসি খোলা বাড়ছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায় জুলাই-এপ্রিল ১০ মাসে বিভিন্ন রকমের পণ্য আমদানি হয়েছে ৬০.৭২৮ বিলিয়ন ডলারের। গত বছরের একই সময়ে আমদানি হয়েছিল ৩৯.৯৬৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। গত বছরের এই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ১৩ শতাংশ। এ বিষয়ে পিআরআই এর নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, রুপপুর পারমানবিক প্রকল্পের যন্ত্রপাতি আমদানির কারণে পণ্য আমদানির পরিমান বাড়তে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক বছর সময়ে নির্বাচনের বছরে টাকা পাচারের একটি প্রবনতা লক্ষ্য করা গেছে। এ কারণে আমদানিতে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়া যায় না। তিনি বলেন, সামগ্রিক ভাবে আমদানি বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যালেন্স অব পেমেন্ট বিপক্ষে আছে বলেও উল্লেখ করেন পিআরআই এর এই গবেষক।

তথ্য অনুযায়ী এলসি নিষ্পত্তির (আমদানি পর পণ্য দেশে পৌছানো) ক্ষেত্রে গত বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে। এ বছর এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৪২.৯৯৭ বিলিয়ন ডলারের। আগের বছরের একই সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছিল ৩৭.৩৭৩ শতাংশ। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ শতাংশ। একক পণ্য হিসাবে সব চেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে ভোগ্য পণ্য। পণ্যটির এলসি নিষ্পত্তি বেড়েছে ৫৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

জুলাই-এপ্রিল ১০ মাসে ভোগ্য পণ্য আমদানি বৃদ্ধির কারণে এ এলসি খোলা ও নিষ্পত্তি বেড়েছে বলে মনে করেন, আমদানি পর্যবেক্ষনে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। এ জন্য আমদানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার প্রয়োজন বলে মনে করেন ওই কর্মকর্তা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত