প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাদকের গডফাদার আ’লীগের কর্মীরা

মাম্মী আক্তার : বর্তমান সমাজে মাদক এত পরিমান বেড়েছে, যাকে বলা যায় ভয়াবহতা। ইয়াবা ব্যবসায়িরা প্রত্যেক গ্রাম অঞ্চলে, শহরে ইয়াবা ব্যবসা করছে। দেশের জন্য দুঃখজনক একটি বিষয়, আমাদের সেনাবাহিনীর দুইজন সদস্য ৫০ হাজার ইয়াবা সহ চিটাগাং এ ধরা পড়েছে। এ ছাড়া মাঝে মাঝে দেখা গেছে, পুলিশ এ ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে। প্রশাসন যদি মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে থাকে, তাহলে নিয়ন্ত্রণ করবে কে? দেশের মানুষেরা কাদের উপর আস্থা রাখবে, কাদের উপর ভরসা রাখবে? বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রনে বন্দুক যুদ্ধে অনেকে মারা গিয়েছে। তাদের মধ্য ৬০% লোক বিএনপির। যাদেরকে মেরে ফেলা হয়েছে, তাদেরকে মাদকের গডফাদার নামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মেরে ফেলা হয়েছে। প্রধানত যারা এই মাদকের গডফাদার, তারা বিদেশ থেকে আমাদের দেশে বড় বড় মাদকের চালান নিয়ে আসছে।

যেমন: মন্ত্রী মায়ার ছেলে রনী, কক্স-বাজার এর আ’লীগের সংসদ সদস্য বদি, তাদের নাম পুলিশের খাতায় এসেছে। তারা বাংলাদেশের মাদক ব্যবসায়িদের মধ্যে গডফাদার। কিন্তু তাদেরকে ধরা হচ্ছে না। মন্ত্রী মায়ার ছেলের ইয়াবার ফ্যাক্টরী রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলছেন, তাদের নামে প্রমাণ এসেছে কিন্তু কোন অভিযোগ আসেনি। যে কারণে তাদেরকে ধরা হচ্ছে না। জনগণ কেন অভিযোগ করতে যাবে? তাদের কে কেন ধরা হচ্ছে না? আমাদের দেশের প্রশাসন এর কাজ কি? যারা মাদক ব্যবসা করে, তাদেরকে ধরে আইনের আওতায় আনা। বর্তমান প্রশাসন সরকারের সাথে কাজ করছে। প্রশাসনের ধারায় প্রশাসন চলছে না। আমাদের দেশে মাদকের ছড়াছড়ি হয়ে গিয়েছে। সুতরাং এ মাদক বন্ধ করতে হবে। আমাদের যুব সমাজকে বাঁচাতে হবে। তরুণ সমাজকে বাঁচাতে হবে। এ মাদক দ্রব্য বন্ধ করতে হলে, আমাদের দেশে যে মাদকের গডফাদার রয়েছে, তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। পরিচিতি : সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি/ মতামত গ্রহণ : রাশিদুল ইসলাম মাহিন/সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত