প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় নামানো বন্ধ করা সবার আগে প্রয়োজন

কেফায়েত শাকিল : ‘যাত্রী, ড্রাইভার, হেলপার অনেকেরই কাউন্সিলিং-এর প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু কাউন্সিলিং-এর নাম করে অপরাধীকে ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। বেশির ভাগ সড়ক দুর্ঘটনার জন্যই চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো, প্রশিক্ষণ ছাড়াই ড্রাইভিং, মাদকাসক্তিসহ অন্যান্য কারণ দায়ী। এসব ক্ষেত্রে অপরাধীদেরকে শাস্তি না দিলে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। এসবের বাইরেও বড় সমস্যা হলো অপরাধীরা যখন মন্ত্রী, এমপিদের সহানুভূতি পায় সেটিই সবচেয়ে বড় দুঃখজনক ঘটনা। আমরা আগেও দেখেছি সরকারের অংশ এসব অপরাধীর পক্ষে লড়ছেন।

এটি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বেপরোয়া ড্রাইভিং বন্ধ সম্ভব নয়।’ ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিষয়ে বলতে চাই ‘যদি ফিটনেসবিহীন গাড়ি নামানো বন্ধ করা যায় তবে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকেরও নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব। কারণ পুরোনো গাড়ি চালানোর সময়ে কেনো ড্রাইভারকে আহমারি সচেতন থাকতে হয় না। গাড়ির সঙ্গে আরেকটি গাড়ির ঘর্ষণ বা ছোটখাটো আঘাত লাগাকে তারা স্বাভাবিক ভেবেই বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালায়। কিন্তু নতুন, সুন্দর, ঝকঝকে গাড়ির গায়ে কোনো দাগ পড়লে ড্রাইভারকে মালিকের কাছে গিয়ে এর কৈফিয়ত দিতে হয়। এছাড়া আরও অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। ফলে ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় নামানো বন্ধ করা সবার আগে প্রয়োজন।’

পরিচিতি : আহ্বায়ক, যাত্রী অধিকার আন্দোলন / মতামত গ্রহণ : মো. এনামুল হক এনা / সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ