প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হাঁপানির লক্ষণ উপশম করে মধু

স্বাস্থ্য ডেস্ক : মধুর প্রদাহনাশক গুণ সম্পর্কে সবাই জানেন। ঠাণ্ডা, কাশি, গলার খুসখুসানি ও ফ্লুর চিকিৎসায় এর কার্যকারিতাও সর্বজনস্বীকৃত। শুধু তা-ই নয়, হাঁপানির লক্ষণ উপশমেও মধু ব্যবহার করে উপকার পাবেন রোগীরা।

মধু খাওয়ার ফলে মুখে লালা নিঃসরণের পরিমাণ বাড়ে। এতে শ্বাসনালি পিচ্ছিল হয়ে পড়ে এবং গলার অস্বস্তিও কমে। হাঁপানির অন্যতম লক্ষণ কাশিও থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। এছাড়া এর প্রদাহনাশক উপাদানের কারণে হাঁপানির পূর্বশর্ত শ্বাসনালি ফুলে যাওয়াটাও বন্ধ হয়।

লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ হলো, কাশি উপশমের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুই চা-চামচ পরিমাণ মধু খাওয়া উচিত।

শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ আর হাঁপানি দুটি ভিন্ন রোগ হলেও এদের লক্ষণ প্রায় এক। বিশেষ করে কাশির ক্ষেত্রে এ দুইয়ের খুব একটা তফাৎ নেই। বাজারে প্রচলিত কাশির বিভিন্ন ওষুধের সঙ্গে মধুর তুলনামূলক পর্যালোচনা চালিয়ে গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, এক্ষেত্রে মধুর কার্যকারিতা বেশি।

২০১৪ সালে বিভিন্ন প্রাণীর ওপর পরিচালিত আরেক গবেষণায় দেখা যায়, বিশেষ ব্যবস্থায় নিঃশ্বাসের সঙ্গে মধু গ্রহণের পর প্রাণীগুলোর হাঁপানির লক্ষণ বেশ ভালোভাবেই উপশম হয়েছে। তবে মানুষের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত গবেষণা প্রয়োজন।

এক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, এক বছরের কম বয়সী শিশুদের কোনো অবস্থায়ই মধু খাওয়ানো যাবে না। মেডিকেল নিউজ টুডে/বণিকবার্তা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত