প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্রেতার আশায় জুতার দোকানিরা

শাকিল আহমেদ: ঈদকে সামনে রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে রাজধানীর জুতা ব্যবসায়ীরা। এখন শুধু ক্রেতার অপেক্ষায়। কিছু ক্রেতা পেলেও বেঁচাকেনা সন্তোষজনক নয়। তবে ২০ রমজানের পরে ঈদ বেঁচাকেনা শুরু হবে বলে আশা করছে ব্যবসায়ীরা। এলিফ্যান্ট রোডের ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা চীন, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে অনেক টাকার জুতা কালেকশন করেছি। কিন্তু সে তুলনায় বেঁচাবিক্রি নাই। শুক্রবার কিছুটা কাস্টমার থাকলেও শনিবার আবার ফাকা। তবে আমাদের বেঁচাকেনা প্রতিবছর ২০ রমজানের পরে শুরু হয়। কারণ সবাই পরিবারের জন্য আগে ঈদের পোশাক ও পরে জুতা কেনে। পর্যাপ্ত কালেকশন আছে আশা করি শেষ পর্যন্ত বেচাবিক্রি ভালো হবে।

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড, পলওয়েল মার্কেট ও বসুন্ধরা সিটিসহ বেশ কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখা যায় ক্রেতা শুন্য অলস সময় পার করছে দোকানিরা। এখনো ঈদের বেচাঁকেনা শুরু হয়নি দোকানে। বাচ্চা ও নারীদের জুতার দোকানে কিছু ক্রেতার দেখা পাওয়া গেলেও অনেকটাই ক্রেতা শুন্য পুরুষদের জুতার দোকান। মার্কেটে দুই একটি কাস্টমার ঢুকতেই হুমরি খেয়ে পড়ছে বিক্রয় কর্মীরা। এছাড়া বাটা, এপেক্স, বে, লোটোসহ ব্রান্ডের দোকানগুলোতে তুলনা মুলক ভালো বেঁচাকেনা লক্ষ্য করা গেছে। কারণ দামাদামি করার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই আবার একদর থেকে কেনাকাটা করছে।

মার্কেটগুলোতে দেখা যায়, চায়না জুতা দখল করে আছে দেশের জুতার বাজার। কম দামে ভালো গেটাপ ও ফিটিংসের কারণে ক্রেতারাও খুব পছন্দ করছে এটি। আবার অনেক অসাধু ব্যবসায়ী চায়না জুতাকে কাস্টমারদেরকে থাইল্যান্ডের জুতা বলে বেশি দামে বিক্রি করছে। আর এতে প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতারা।

গ্রিনরোড থেকে জুতা কিনতে আসা মোহাম্মদ আলি রিপন অভিযোগ করে বলেন, দোকানিরা এখনো নতুন জুতা ডিসপ্লে করেনি, নতুন কিছু দেখছিনা। তাছাড়া সময় থাকাতে দামও অনেক বেশি চাচ্ছে। যা দেখছি সেটাই বলে বাহিরের জুতা। ১৫০০ টাকার জুতার দাম চায় ৪ হাজার টাক। কিনতে গেলে দাম ও জুতার মান নিয়ে অনেক হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই ভাবছি আরও পরে একদর থেকে কেনাকাটা করবো।

খুচরা মার্কেটে বেচাকেনা কম থাকলে দেশি জুতার কারখানা ও পাইকারি দোকান গুলোর চিত্র ভিন্ন। ঢাকার বাইরের জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা আসছে পাইকারি জুতা কিনতে। পলওয়েল মার্কেটের এক পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, আমরা চায়না, ইন্ডিয়া ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড থেকে সবে বরাতের পর থেকেই ইমপোর্ট শুরু করেছি। আমাদের বেঁচাকেনা মোটামুটি শুরু হয়ে গেছে ১৫ রমজান পর্যন্ত চলবে এরপর কমে যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত