প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘সব চরিত্রেই কাজ করতে চাই’

নিজস্ব প্রতিবেদক : হঠাৎই ঘুম ভেঙে গেলো তনয়ের। আর ভাঙবেই না বা কেন? স্বপ্নে যে জিনিস দেখছে সে, তাতে কী ঘুম না ভেঙে যায়! বাব্বা, সাহস আছে বলতে হবে ছেলেটার! স্কুলের হ্যান্ডবল খেলায় টানা সাতবার চ্যাম্পিয়ন হলো সে! বিষয়টা স্বপ্নে হলেও সেই আনন্দে ঘুম ভেঙেছিল তার। এরপর বাস্তবে যশোর জিলা স্কুলের অনেক ম্যাচ জিতেছেন তিনি। তবে কখনোই ভাবেন নি এই প্রিয় খেলাটাই একদিন আর খেলা হবে না, ব্যস্ততা-সময় সব গ্রাস করে নেবে। বাধ্য হয়ে পা বাড়াতে হবে, চলতে হবে অচেনা পথে। যে পথের দিশা নিজেরও জানা নেই। তবে হারবেন না, এতটুকু আত্মবিশ্বাস তার ছিল।

কে জানতো সেদিনের সেই আত্মবিশ্বাসই তাকে আজকে অভিনয়শিল্পী করে তুলবে। মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে ২০১১ সালের শেষের দিকে তনয় পাড়ি জমিয়েছিলেন ঢাকায়। উদ্দেশ্য ছিল উচ্চ শিক্ষা। কিন্তু এসেই কী থেকে যেন কী হয়ে গেলো। মাথায় পোকা ঢুকলো অভিনয়ের। সেই যে শুরু, চলছে এখনো।

তবে অভিনয়ের রেলগাড়িটা থেমে ছিল না। সাধ্য-সুযোগ অনুযায়ী করেছেন একক-ধারাবাহিক নাটক ও চলচ্চিত্রে। শুরুটা এই তরুণ তুর্কির ‘অপূর্বা’ নামের ধারাবাহিক দিয়ে হলেও পরে ‘চন্দ্রাবতীর কথা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। কুড়ান মানুষের প্রশংসা। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি অভিনয় করেন ‘চল যাই’ নামের আরেকটি চলচ্চিত্রে। এরমধ্যে তিনি বেশ কিছু টিভিসি ও ফটোশুটের কাজ করেন।

তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি তিনি মুখোমুখি হলেন আমাদের সময় ডটকম’র। তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, কেন জানিনা নতুনদের সুযোগটা বরাবরই কম থাকে। এই সুযোগটা বাড়ানো জরুরি। কে জানে আজকের আনকোরা ছেলেটাই হয়তো কালকে অনেক ভালো একজন অভিনেতা হবেন।

তনয় বলেন,  আমি নিজে অনেক ভালো পারি কিংবা পণ্ডিত এমনটা বলছি না। শুধু বলছি, নতুনদের একটু সুযোগ দিন। দেখবেন তারাও ভালো কিছু করে দেখাবে।

তরুণ এই অভিনয়শিল্পীর স্বপ্ন এখন বড় পর্দা নিয়ে। তিনি চান সবগুলো চরিত্র নিয়ে কাজ করতে। যেটা মানুষকে ভাবায়, কাঁদায়। এমনকি হাসায়ও। তাই হোক সেটা পর্দায় সামান্য দৈর্ঘ্যের।

সুযোগ পেলে কথা নয়, কাজ দিয়েই  প্রমাণ করবেন নিজেকে-এমনটাই জানালেন প্রতিবেদককে। শুভ কামনা তনয়ের জন্য, তার আগামীর পথচলা শুভ ও মসৃণ হোক।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত