প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চট্টগ্রামে কর্মচারীদের কোয়ার্টার ব্যবহার হচ্ছে মাদকের আখড়ায়

সাজিয়া আক্তার: চট্টগ্রামে রেলের জায়গাতেই চলে মাদকের হাট।কর্মচারীদের বরাদ্দ দেয়া কোয়ার্টার ব্যবহার হয় মাদকের আখড়া হিসেবে পরিচিত বরিশাল কলোনি নামে। সব জেনেও এতোদিন নির্বিকার ছিল পূর্বাঞ্চল রেল কর্তৃপক্ষ। অবশেষে মাদক বিরোধী অংশ হিসেবে এই আখড়া উচ্ছেদ শুরু করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম রেল স্টেশনের পাশ ঘিরে গড়ে উঠা বসতি মূলত বরিশাল কলোনি নামে পরিচিত। রেলের তথ্যমতে ৮০’র দশকে এখানে ২৮০টি আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয় কর্মচারীদের জন্য। ৯০ এর দশকের পর থেকে এই কোয়ার্টার ঘিরে চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় মাদকের আখড়া গড়ে উঠে।

রেল কর্মচারীদের বরাদ্দ পাওয়া কেউই থাকেন না। প্রত্যেকটি কোয়ার্টারের পাশে খালি জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে আরো ৫ থেকে ৬টি করে খুপি ঘর। যেখানে চলে মাদকের বেচাকেনা।

স্থানীয়রা জানান, এখানে ২৪ ঘণ্টা চলে মাদক ব্যবসা। আমরা প্রতিবাদও করতে পারছি না।

ছোট ছোট ঝুঁপড়ি ঘরের কারণে পুরো কলোনি জোরে তৈরি হয়েছে অসংখ্য অলিগলি। ফলে অভিযানে গেলে তালগোল হারিয়ে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও। নাগালে আসার আগেই পালিয়ে যায় মাদক ব্যবসায়ীরা।

সদরঘাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেজাম উদ্দিন বলেন, এখানে অসংখ্য অলিগলি, বাইড়ে বিভিন্ন ঘর, দোকান আছে এখানে ব্যবসায়ীদের সোর্স হিসেবে কাজ করে অনেকেই। আমরা তাদেরও তালিকা করছি। অবৈধ্য স্থাপনার কারণে আমাদের অভিযান পরিচালনা করা কষ্টসাধ্য হচ্ছে।

নিজেদের জমি দখল করে হাজারেরও বেশি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং মাদকের আখড়া গড়ে উঠলেও নির্বিকার পূর্বাঞ্চলিয় রেল কর্তৃপক্ষ। কোয়ার্টার বরাদ্দ পাওয়া কর্মচারিরাও থেকে যায় অধরা।

একাধিক অভিযানেও মাদক বাণিজ্য বন্ধ করতে না পেরে পুরো আখড়া উচ্ছেদে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সিএমপি উপ পুলিশ কমিশনার মোস্তাইন হোসেন বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে আমরা চিঠি দিয়েছি এখানে কতজন মাদক ব্যবসায়ী থাকে তাদের নামের তালিকা চেয়েছি। ঐ তালিকা ধরে আমরা যাদের এখানে মাদক পাবো তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

বরিশাল কলোনির মতো চট্টগ্রামের ছোট বড় আরো ১৪৩ টি মাদক বাণিজ্যের স্পর্ট রয়েছে।

সূত্র: যমুনা টেলিভিশন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত