প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইকুয়েডর দূতাবাসের আশ্রয় হারাতে পারেন জিলিয়ান অ্যাসাঞ্জ

আনন্দ মোস্তফা: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র গোপন নথি প্রকাশ করে বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলা উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ছয় বছর ধরে লন্ডনে অবস্থিত ইকুয়েডর দূতাবাসের আশ্রয়ে আছেন। তবে যেকোনো সময় আশ্রয় হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা গেছে।
অ্যাসাঞ্জ যেকোনো সময় দূতাবাস ছাড়তে পারেন। হয় তাকে দূতাবাস ছাড়তে বাধ্য করা হবে অথবা এতটা বিধিনিষেধের বেড়াজালে থেকে তিনি নিজেই দূতাবাস ছাড়তে চাইবেন। দূতাবাস থেকে অ্যাসাঞ্জ বেরিয়ে এলে তাতে সুবিধা হবে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত কর্মকর্তাদের। গত ছয় বছর ধরেই আসাঞ্জকে গ্রেফতারের জন্য অপেক্ষা করছে মার্কিন ও ব্রিটিশ পুলিশ।

ইতোমধ্যেই অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করতে অভিযোগ গঠনের প্রস্তুতি নিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। অ্যাসাঞ্জের আইনজীবী মেলিন্দা টেইলর বলেন, প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত উদ্বেগের জায়গাটি একই রকম থেকে গেছে। তা হচ্ছে দূতাবাস থেকে অ্যাসাঞ্জ বের হয়ে এলে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সম্প্রতি ইকুয়েডর সরকার অ্যাসাঞ্জকে দেওয়া সুবিধা কমিয়ে দেওয়া শুরু করেছে। মার্চে তার ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এর ফলে উইকিলিকস চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে তার জন্য। তার সঙ্গে দর্শনার্থীদের সাক্ষাৎ নিয়ন্ত্রিত করে ফেলা হয়েছে। এখন তিনি শুধু আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান। তবে তাঁর আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাঁদের মোবাইল ফোন ‘জ্যাম’ করে ফেলা হয়।

এ রকম জটিল পরিস্থিতিতে আসাঞ্জের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পেরেছে। দূতাবাসের বাইরেই ওঁৎ পেতে রয়েছে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোর গোয়েন্দারা। অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীর দাবি, প্রায় আট বছর ধরে মার্কিন কর্মকর্তারা গোপন গ্র্যান্ড জুরি তদন্ত পরিচালনা করছেন অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে। সিএনএন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত