প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিক্রি নেই, তাই বাকিতেই চলছে ইয়াবা ব্যবসা!

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : ইয়াবার ডিলাররা সেলারদের কাছে বাকিতে বিক্রি করে। আর সেলাররা বিক্রির পর ডিলারদের পাওনা টাকা বুঝিয়ে দেয়। দেশব্যাপী অভিযান শুরুর পর ডিলারদের বেচাকেনা কমে গেছে। পাশাপাশি বেশিরভাগ ইয়াবা বিক্রেতা গা ঢাকা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে গত ২৩ দিনে ৬০ মাদক কারবারি নিহত হলেও মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় মাদক বিক্রি থেমে নেই। এরআগে কারওয়ানবাজার এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হলেও সেখানের এখন চিত্র উল্টো। রেললাইন এলাকায় ডেকে ডেকে সবজি বিক্রির মত বিক্রি হতো গাঁজা ও ইয়াবা। শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে কোন মাদক ব্যবসায়ীর দেখা মেলেনি।

কারওয়ানবাজার রেললাইন, শুটকিপট্টি ও কাঠপট্টি এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি হতো। গত কয়েকদিন ধরে কাউকে দেখা যাচ্ছেনা। এদের বেশিরভাগই থাকে তেজকুনিপাড়া ও রেললাইন বস্তিতে থাকে। এখানে পুরুষের চেয়ে নারী বিক্রেতার সংখ্যা বেশি।

এদিকে মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্প সংলগ্ন ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে প্রকাশ্যে বিক্রি না হলেও মোবাইলে যোগাযোগ করে ইয়াবা ব্যবসা চলছে। আগের মত ক্যাম্প এলাকায় মাদক বিক্রেতাদের জটলা নেই। পুলিশের চোখ এড়িয়ে দু’একজন বিক্রি করছে। এর আগে ক্যাম্প এলাকার আশপাশে মাদক বিক্রেতাদের জটলা দেখা যেত।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দীন মীর বলেন, গত এক বছর জেনেভা ক্যাম্পে টানা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে এখনও মাদকও নির্মূল সম্ভব হয়নি। মাদক নির্মূলে আমরা একাধিক বৈঠক করেছি। যারা মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত, তাদের নানা কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও এখনও কিছু মাদক বিক্রেতা ক্যাম্পে রয়েছে।

রাজধানীর এক মাদক বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এখন ইয়াবা বিক্রি খুবই ঝুঁকিপুর্ণ। বিক্রিও কমে গেছে। তবে ডিলাররা একটা সুযোগ দিয়েছে তাদের। বাকিতে ইয়াবা সরবরাহ করছে। শর্ত হলো বিক্রির পর টাকা ফেরত দিতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করায় অনেকটা বিশ্বস্ত হয়ে যাওয়ায় এ সুযোগ দিচ্ছে ডিলাররা’ উল্লেখ করেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত