প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী গত দুই যুগ ধরেই ভিক্ষা করে

“বাবা’ বনের আগুন দেখে সবাই, মনের আগুন কেউ দেখে না”। মাওয়া ফেরিঘাটে নিত্যকার এক ভিক্ষুক ” হালানী” বেগমের আরেক কষ্টদায়ক বচন। মাওয়া ফেরিঘাটে প্রায় সময় দেখা প্রায় ১০০ বছর বয়সী এই মহিলার কস্টের শানে-নজুল জানতে গেলে তিনি বলেন’ মুক্তিযুদ্ধ করতে গিয়ে শ্বাসকষ্ট অবস্থায় তার স্বামী মারা যান। নিজেও মুক্তিযোদ্ধা এবং ভাংগায় তার নিবাস।

এখন লাঠিই তার সম্বল চলার জন্য। লাঠি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অনেক অশুভ শক্তিকে তাড়াইতে পারলেও এখন সেই লাঠি তার দারিদ্র্যতাকে তাড়াতে অকার্যকর। তার এক ছেলে ও এক মেয়ের উভয়েরই অনেক আগে বিয়ে হয় এবং ছেলে মারা যায় পাঁচ বছর আগে। তার জীবনযাত্রা নির্বাহে বর্তমানে কারোরই অংশীদারিত্ব নেই। অবাকের বিষয়,একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী গত দুই যুগ ধরেই নাকি ভিক্ষা করে এবং তার আগে অপরের বাসায় কাজ করে জীবন পার করে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি ফেসবুকে অনেকটা ভাইরাল হওয়া আরেক ভিক্ষুক মুক্তিযোদ্ধার মানবেতর জীবনযাত্রা দেখে অনেকেরই চোখে পানি আসার কথা। মুক্তিযোদ্ধার মানবেতর জীবন লিখে সার্চ ইঞ্জিন গুগলে সার্চ দেয়ার পর এর ওপর ৭১ হাজার ৫০০ লিংক পাওয়া যায়। সেই সব লিংকে আছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনযুদ্ধ, অবহেলা, অপমান আর বঞ্চনার কথা।

শুরুতে বর্ণনা করা মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর জীবন কাহিনী তারই একটি। কিন্তু অনেকের কথা সংবাদমাধ্যমে হয়ত প্রকাশ হয় না। অনেকের ঘটনা আসে না আলোচনায় আর আসলেই বা কী করে? তাতে কি অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থা বদলে যাবে?

পরিচিতি : উপজেলা নির্বাচন অফিসার, মুন্সিগঞ্জ সদর/ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত