প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঈদ উপলক্ষ্যে শ্রমজীবি মানুষের বাড়তি পরিশ্রম

আদম মালেক : আসছে ঈদ বাড়ছে খরচ। স্ত্রী সন্তানসহ স্বজনদের আশা পূরণ করতে হবে। সবাই পথ চেয়ে আছে পরিবারের উপর্জনক্ষম ব্যক্তিটির দিকে। তাই তাদের মুখে হাসি ফোটাতে রোজারা মধ্যেও দিনরাত পরিশ্রম করে চলছে শ্রমজীবি মানুষ। কেউ কেউ আশাবাদী হলেও অনেকেই নিরাশ। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিকটবর্তী এলাকা ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণীর শ্রমজীবি মানুষের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা গেটের ফুটপাতে জামাকাপড়ের ব্যবসা করে আবদুল হামিদ। বাড়ি নেত্রকোনা। ঈদের প্রস্তুতি ও কর্মতৎপরতা সম্পর্কে তিনি বলেন, বেচাকনা আগের মতোই। আরো কয়দিন পরে বাড়বে। খাটুনিও আগের চেয়ে বেশী। ঈদ আসছে। আমিই পরিবারের ভরসা। স্ত্রী সন্তানদের আশা মেটাতে হবে।

মাহবুব আলমের বাড়ি বরিশাল। তিনি বসুন্ধরা গেটে সিএফসি রেস্টুরেন্টে চাকরি করেন। ঈদের খরচ মেটাতে তিনি রেস্টুরেন্টের সামনে ফুটপাতে দোকান খুলেছেন। বিক্রি করেন চিকেন ফ্রাই.বার্গার ও নুডল্সসহ বিভিন্ন খাদ্য। বিক্রি মোটামুটি ভালো। কয়দিন গেলে বিক্রি আরও বাড়বে।

মো. লুৎফর রহমান একজন সিএনজি চালক। বাড়ি শেরপুর। ঈদ উপলক্ষ্যে তেমন উচ্ছ¡সিত নন। তিনি বলেন,আমাদের কোনো আকাঙ্খা নেই। থাকতে নেই। সিএনজি চালাই। মালিকের জমা পরিশোধ করতেই হিমশিম খেতে হয়। সিএনজির জমা হাফবেলা ৭ শ টাকা। পুরোদিনের জন্য পরিশোধ করতে হয় ১১ শ টাকা। কোনো কোনো সময় মালিকের জমাও শোধ করতে পারি না।

নুরুদ্দিনের বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচর থানায়। তিনি খেলনা বিক্রি করেন। ঈদে পরিবার পরিজন নিয়ে তিনও চিন্তিত। খেলনা বিক্রি রোজার আগের মতোই। তেমন উন্নতি নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ