প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বরিশালে লাহারহাট লঞ্চ ঘাটে যাত্রিদের হয়রানি

সাজিয়া আক্তার : বরিশালের লাহারহাট লঞ্চ ঘাটে ইজারাদারদের হয়রানির শিকার হচ্ছেন যাত্রিরা। বন্দর কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো  প্রতিকার পাচ্ছেন না সাধারণ যাত্রীরা।

লাহারহাট লঞ্চঘাট দিয়ে প্রতিদিন বরিশাল, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ ও ভোলায় যাতায়েত করে ৪ থেকে ৫ হাজার যাত্রি। সরকারের নিয়মে এই ঘাটে প্রবেশ মূল্য দেয়া আছে ৩ টাকা। কিন্তু যাত্রিদের অভিযোগ ঘাটের ইজারাদাররা তাদের কাছ থেকে ৫ টাকা করে আদায় করছে। তার উপর কোনো টিকিটও দেয়া হয় না।

যাত্রিরা বলেন, আমার পরিবারের ৫জন সদস্য এই ঘাট দিয়ে প্রবেশ করেছে। আর তারা আমার কাছ থেকে ৫ জনের কাছ থেকে মোট ২৫ টাকা রেখেছে, কিন্তু আমাদের কোনো টিকিট দেয় হয়নি। ওরা বলছে সরকারের কাছ থেকে তাদের কাউন্টার দেয়নি তাই টিকিট দেয়া হচ্ছে না।

কেবল যাত্রি নয় ইজারাদারদের এই হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও। মালামাল পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন ইজারাদাররা।

এই হয়রানির কথা বলতে গেলে ইজারাদাররা জানান সরকারি নিয়মেই তারা টাকা নিচ্ছেন। যদিও টিকিটের বিষয়টি এড়িয়ে যান তারা।

লাহারহাট লঞ্চঘাট ইজারাদার রাসেল খান বলেন, লঞ্চ আসলে যাত্রিদের টিকিট নেয়ার মত সময় থাকে না, দেখাযায় টিকিট না নিয়েই লঞ্চে উঠেযায়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, বন্দর কর্মমর্তার সাথে আর্থিক লেনদেন থাকায় হয়রানির বিষয়ে কথা বলেও কোনো লাভ হয় না।

টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ানম্যান বাহাউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা খবর নিয়ে জানতে পেরেছি অর্থকরী লেনদেনের সাথে জড়িত আছে বন্দর কর্মকর্তারা ।

আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করলেন বন্দর কর্মকর্তা।

বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা মোস্তফিজুর রহমান বলেন, আমরা প্রমাণ পেলে অবশ্যই এ ব্যপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে । ঘাট কেন্সাল করা থেকে শুরু করে সব ধরণের ব্যবস্থা নিবে।

শুধু লাহার ঘাট নয় বরিশালের বেশির ভাগ লঞ্চ ঘাটের বেশির ভাগেই ইজারাদারদের এমন হয়রানির শিকার হন যাত্রি ও ব্যবসায়ীরা।

সূত্র: একাত্তর টেলিভিশন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত