প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টাঙ্গাইল-৬ আসন
দুইডজন সম্ভাব্য প্রার্থী ব্যস্ত ভোটের রাজনীতি নিয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট: যমুনা-ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত নাগরপুরের ১২টি ও দেলদুয়ার উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে টাঙ্গাইল-৬ আসন। এ আসনের দুই উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৭ জন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই আসনে তৎপর হয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির কমপক্ষে দুইডজন সম্ভাব্য প্রার্থী। আর তারা এখন ব্যস্ত ভোটের আগে ভোটের রাজনীতি নিয়ে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দশটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে আওয়ামী লীগ ৩ বার, বিএনপি ৫ বার, ও জাতীয় পার্টি ২ বার নির্বাচনে জয় লাভ করে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে বর্তমান সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল বাতেনের প্রতিদ্বন্দ্বি কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ নেতা কাজী এটিএম আনিসুর রহমান ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম। এছাড়া এই আসনে এবার মনোনয়ন চাইবেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের নেতা তারেক শামস খান হিমু, শেখ আব্দুর রহিম ইলিয়াস, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইনসাফ আলী ওসমানী এবং ব্যবসায়ী সৈয়দ মাহমুদুল ইলা লিলু মনোনয়ন পেতে মাঠে আছেন।

বিএনপির চেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী কম হলেও আন্তঃকোন্দলে এগিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। দলে রয়েছে প্রকাশ্য দ্বিধাবিভক্তি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে খন্দকার আব্দুল বাতেন বিজয়ী হন। তখন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি আহ্সানুল ইসলাম টিটু। সেই থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে দুই দলে বিভক্ত।

এদিকে, আসনটিতে আওয়ামী লীগের যেমন শক্ত অবস্থানে রয়েছে, তেমনি বিএনপির রয়েছে বিশাল ভোট ব্যাংক। তবে দলীয় কোন্দল থাকার পরও আসনটিতে সক্রিয় রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য গৌতম চক্রবর্তী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা রবিউল আওয়াল।

বিএনপি থেকে অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী টানা দুবার এ আসন থেকে বিজয়ী হন। ২০০১ সালে বিজয়ী হয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এবারও বিএনপির মনোনয়ন-প্রত্যাশী হিসেবে এলাকায় গণসংযোগ করছেন তিনি। সাবেক মন্ত্রী নূর মোহাম্মদ খানও এ আসনে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে তিনি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করছেন।

এ ছাড়া বিএনপির মনোনয়ন পেতে মাঠে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রবিউল আওয়াল লাভলু, জাসাসের কেন্দ্রীয় নেতা ও জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য শরিফুল ইসলাম স্বপন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আরফান আলী মোল্লা ও অ্যাডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ইউসুব আলী, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের নির্বাহী সদস্য ড. আমিনুল ইসলাম মঞ্জু, উপজেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন খান ও জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার সাদাত খান। সূত্র: ডিবিসি নিউজ টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত