প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাহরি, ইফতার ও তারাবির তাৎপর্য

মো: আবু তালহা তারীফ: রমজান মাসের চাঁদ দেখার সাথে সাথেই রহমত বরকতপূর্ন মাস রমজান শুরু হবে। আমরা সকলে টুপি,পাঞ্জাবী পরিধান করে হাতে সুন্দর জায়নামাজ নিয়ে আমরা পবিত্র তারাবি নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাব। আমরা অন্য মাসে অনান্য রোজা রাখি কিন্তু তারাবি নামাজ পড়িনা। রমজানে প্রতিরাতে আমরা তারাবি নামাজ আদায় করি। তারাবি নামাজের মাধ্যমে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়। তারাবি নামাজ ফরজ, সুন্নত, নফল নামাজের মত আদায় করতে হয়। তারাবি নামাজ পড়াকালে প্রতি দুই রাকাত বিশেষ করে প্রতি চার রাকাত পর একটু বসে বিশ্রাম করে দোয়া ও তসবিহ পাঠ করতে হয় বলে এ নামামাজকে সালাতুত তারাবিহ বা তারাবি নামাজ বলা হয়। অধৈয্য হয়ে তারাবি নামাজ আদায় করা যাবেনা। মসজিদে প্রবেশ করলে দেখা যায় কেউ তারাবি নামাজের নিয়ত করেছেন। রুকু দিচ্ছে সেজদা করছে এবং গননা করছে কত রাকাত হয়েছে বিশ রাকাত নামাজ পড়তে কত সময় লাগবে । অন্তরে বিরাজ করে ননা রকমের ধারনা। নামাজে নেই কোন ধৈর্য। নামাজ ধৈযর্ সহকারে না আদায় করা কঠিন কাজ শুধু ঈমানদার ব্যক্তি ব্যতিত। মাহান আল¬াহ তায়ালা বলেন, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে আল¬াহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই এই নামজ অত্যন্ত কঠিন কাজ তবে অনুগত বান্দাদের জন্য তা কঠিন নয়।’(সূরা আল বাকারা-৪৫)

বর্তমানে এশারের নামাজ ও তারাবি নামাজ আদায় করলে বুজতে পারা যায় তারাবি নামাজ পড়া হচ্ছে না এশার নামজ পড়া হচ্ছে। যে নামাজ কোরআন তেলওয়াত তারতারি করে পড়া হচ্ছে সেটিই হল তারাবি নামাজ। অথচ তারাবি নামাজের অপর নাম তারাতারি নয়। তারাবি নামাজ আদায় করতে হবে যতœ সহকারে। যতœ সহকারে তারাবি নামাজ আদায় করার জন্য প্রিয় নবী (স:) নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল(স:) বলেন, নিশ্চয়ই আল¬াহ তোমাদের উপর দিনের বেলায় রমজানের রোজাকে ফরজ করেছেন, আর আমি তোমাদের জন্য তারাবি সুন্নত রুপে ঘোষনা দিলাম। যে ব্যক্তি নেকীর জন্য রমজান মাসের দিনে রোজা রাখবে এবং রাতে তারাবি নামাজ আদায় করবে সে তার পাপ থেকে এমন ভাবে মুক্ত হবে যেমন সন্তান মাতৃগর্ভ তেকে ভূমিষ্ট হয়। রাতে তারাবি নামাজ আদায় করে সারা রাত অধির আগ্রহে অপেক্ষায় থাকি কখন সাহরি খাওয়ার সময় হবে। পরদিন মহান আল¬াহ তায়ালার নৈকট্য লাভের জন্য রোজা রাখব। সাহরি খাওয়ার সময় অনেকে কখন ঘুম থেকে উঠব সে সময় মোবাইলে এলারম দিয়ে রাখে অনেকেও বা অন্যকে বলে সাহরির খাওয়ার সময় উঠিয়ে দিও। সাহরি খাওয়ার সময় ঘুমিয়ে থাকেলে একে অন্যকে ঘুম থেকে জাগিযে দেয়। ইমাম তাবারানী(রহ.) বর্ননা করেছেন রাসুল(সা.) বলেন,সাহরি ভক্ষন কারীর খাবারের হিসাব হবে না। তাছারা সাহরি খাওয়া রাসুল (সা.) এর একটি সুন্নত। রাসুল (সা.) এর হাদীস শরীফে সাহরি খাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। হজরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত,রাসুল(সা.) বলেন, ‘তোমরা সাহরি খাও, কেননা তাতে বরকত রয়েছে’।(বোখারী)

আমাদের সকলের উচিত বরকত, মুক্তি ও রাসুল (সা.) এর সুন্নাতকে জিন্দা করার আশায় সাহরি খাওয়া। আমর ইবনুল আস (রা:) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আমাদের রোজা ও আহলে কিতাবদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হল সাহরি খাওয়া’। (মুসলিম)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত