প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পশ্চিমবঙ্গ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
তিস্তা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন ‘যথা সময়ে প্রকাশ্য’

তরিকুল ইসলাম, ক‚টনৈতিক প্রতিবেদক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এ খরটা আনুষ্ঠানিক ভাবে জানাতেই পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিমবঙ্গ সফরে তিস্তা ইস্যুতে কোন অগ্রগতি হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের যবাবে মাহমুদ আলী বলেছেন, ‘যথা সময়ে প্রকাশ্য, নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়ে এ ধরনের চুক্তি হয় না। এখন এ বিষয়ে এর বেশি কিছু বলা যাবেনা।’

বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, ২৫ মে পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে অবস্থিত কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে ‘সম্মানিত অতিথি’ হিসেবে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। পর দিন ২৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডি.লিট) উপাধি প্রদান করা হবে শেখ হাসিনাকে। ঐদিন সন্ধ্যায় ঢাকা ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

মাহমুদ আলী বলেন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ‘বাংলাদেশ ভবন’ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি রুপি। বাংলাদেশ ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ ও সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১০ কোটি রুপির সমতুল্য একটি এককালীন স্থায়ী তহবিলও গঠন করা হবে। বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত এই তহবিলের অর্জিত লভ্যাংশ থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের ১০ জন শিক্ষার্থীকে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য ফেলোশিপ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ভবন নির্মাণ পরবর্তী পরিচালনা কার্যক্রম সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্বাক্ষরিত হবে।

পশ্চিমবঙ্গ সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ২৫ মে শান্তি নিকেতনে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন করবেন। এ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি উপস্থিত থাকবেন। সেখানে দুই দেশের সকল বিষয় আলোচনা হবে। ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছিল রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য মিয়ানমারে গৃহ নির্মাণ করে দিতে। রোহিঙ্গারা ফিরে গেলে মিয়ানমারে ভারত সরকার গৃহ, কমিউনিট ক্লিনিক, স্কুল ও রাস্তা তৈরী করে দিবে। জাপান, চীন ও ইন্দোনেশিয়াও সহযোগীতা করবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান এত সহজ নয়, এর মূল অনেক গভীর। গোটা পৃথিবীতে কেউ বিশ্বাস করে না রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে গেছে। আট হাজার তালিকার মধ্যে ২ হাজারের বেশী নিতে রাজী হয়েছে মিয়ানমার। মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করা খুব দূরহ। তারপরেও কাজ চলছে, তারা আমাদের প্রতিবেশী। তাদের সঙ্গে নিয়েই চলতে হবে।রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত