প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্রেফতার নয় ক্রসফায়ার

মাদক নির্মূলে একমাত্র পথ হলো বিচারবর্হিভূত হত্যা। মাদক ব্যবসায়ীরা বিচার কে ব্যবহার করেই মাদকের ব্যবসা করে। বিচার অর্থাৎ পুলিশ হলো মাদক ব্যবসায়ীর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। পুলিশ কে যদি মাদকের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া যায় এবং পুলিশ কে যদি আরো বন্দুকযুদ্ধের অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে আর পুলিশ আর মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে বন্ধুত্ব হবে না। দেশে মাদক ব্যবসা আর হবে না। সরকারের মাদক নির্মূলে ক্রসফায়ারের পদক্ষেপটা সঠিক পদক্ষেপ বলে আমি মনে করি। পুলিশকে বলতে হবে যে, গ্রেফতার করা যাবে না। গ্রেফতার হলেই পুলিশের টাকা খাওয়ার ধান্ধা বাড়বে এবং পুলিশের সাথে বন্ধুত্ব হবে।

পুলিশকে বলতে হবে যে, কোন গ্রেফতার নয়, দেখামাত্র ক্রসফায়ার। আইনে যদি বিচার চায়, তাহলে পুলিশকে আগে তদন্ত করতে হবে। তদন্ত করলেই তো পুলিশ আগে বকরা নিবে। বকরা যখন নিবে, তখন তদন্ত করে কি পাবে? পুলিশকে মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স থাকতে হবে। ট্রাষ্টি বোর্ডের সুলতানা কামাল ম্যাডাম কে বলতে হবে, ঘরে বসে ভাতা খেয়ে মানবাধিকার দেখাচ্ছেন, জনগণের সাথে মিশে দেখেন, কি ব্যাপক মাদক ছড়াচ্ছে দেশের আনাচে কানাচে। একটি ফ্যামিলিও আজ মাদক থেকে মুক্ত নয়। এখন সুলতানা ম্যাডামরা আসছেন বলতে যে, মাদক ব্যবসায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিচারের মধ্যে আনলেই তো সব জায়গায় ঘুষ খাবে। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা দূর্নীতি গ্রস্থ। মাদক নির্মূলে আরো বাড়াতে হবে ক্রসফায়ার।

পরিচিতি : সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি / মতামত গ্রহণ : মো. এনামুল হক এনা / সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ