প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাদকের সমাধান বন্দুকে নয়

মাদকের বিরুদ্ধে বন্দুক কোনো সমাধান নয়। মাদক ব্যবসা, আমদানী, পাচার, নিয়ন্ত্রন এগুলোর সাথে সমাজের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম হরহামেশায় পত্রিকায় দেখেছি। গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে যে নাম গুলো এসেছিলো, তার মধ্যে সরকার দলীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এমনকি সংসদ সদস্যরা জড়িত আছে। বিএনপির আমলে দুর্নীতি সন্ত্রাস দমনের নামে ৪৫ জনকে হত্যা করেছে। এতে সন্ত্রাসতো কমেনি বরং ব্যক্তি সন্ত্রাসের পরিবর্তে রাষ্ট্রিয় সন্ত্রাস মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিলো। এখন হয়তো ছোটো খাটো মাপের মাদক ব্যবসায়ি নিধন হবে এর জন্য জনগনের দৃষ্টিও সেই দিকে যাবে।

এর পরিবর্তে সমস্যার শিকড়টা আরো দৃঢ় হয়ে উঠবে এবং শিকড় থাকলে আবার ডাল পালা মাথা জাগা দিয়ে উঠবেই। আমরা মনে করি, মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাতœক, সামাজিক, রাষ্ট্রিয়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার। মাদকের সাথে জড়িতরা মাদক পেলো কোথায়? তাদের কাছ থেকে তথ্য বের করা দরকার। বাংলাদেশের ১৫ টা পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা ও ৩৭ টি পয়েন্ট দিয়ে ফেন্সিডিল আসে। এসব কারা আনে তাদেরকে যদি না ধরা যায়, তাহলে গ্রাহককে হত্যা করে মাদক নিধন করা যাবে না। একদল আছে যারা মাদক সেবন করে, আরেক দল আছে যারা টাকার জন্য মাদকের ব্যবসা করে।

পরিচিতি : কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য, বাসদ/ মতামত গ্রহণ : তাওসিফ মাইমুন/ সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত