প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ ম্যাচ জিতে ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস

কেএম হোসাইন : হারের কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে নিল চেন্নাই ফাফ দু প্লেসির দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরির ইনিংসে ভর করে। স্বল্প রানে জয়ের ধারে কাছে চলে গেছিলো সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। কিন্তু সেটা হল না  কোয়ালিফায়ারের প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ ম্যাচটি ২ উইকেটে জিতে আইপিএলের ফাইনালে উঠে গেছে চেন্নাই সুপার কিংস।

ফাইনালের আশা অবশ্য শেষ হয়ে যায়নি সাকিবদের। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ঠিক হবে তাদের ভাগ্য। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আগামীকাল (বুধবার) এলিমিনেটর ম্যাচে নামা কলকাতা নাইট রাইডার্স কিংবা রাজস্থান রয়্যালস।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান সংগ্রহ করে হায়দরাবাদ। এই পুঁজিই দুর্দান্ত বোলিংয়ে কঠিন করে তুলেছিল তারা। একটা সময় হায়দরাবাদের জয়টাই মনে হচ্ছিল সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু দু প্লেসির অভিজ্ঞতা ও শারদুল ঠাকুরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৫ বল আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে চেন্নাই।

৬২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে চেন্নাই। শেন ওয়াটসন (০), আম্বাতি রাইডু (০), মহেন্দ্র সিং ধোনি (৯), ডোয়াইন ব্রাভো (৭) ও রবীন্দ্র জাদেজার (৩) কেউই দাঁড়াতে পারেননি সিদ্ধার্থ কৌল (২/৩২) ও রশীদ খানের (২/১১) বোলিংয়ের সামনে।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন দু প্লেসি। ওপেনিংয়ে নেমে দলের জয় নিশ্চিত করে তবে মাঠ ছেড়েছেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করা দু প্লেসি ৪২ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে অপরাজিত ছিলেন ৬৭ রানে। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন শারদুলও। আস্কিং রানরেট নামিয়ে আনার পথে ৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে খেলেছেন তিনি ১৫* রানের ইনিংস।

এর আগে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল হায়দরাবাদও। তাদের রান ১৩৯ পর্যন্ত যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান কার্লোস ব্রাথওয়েটের। ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার শুরুতে মন্থর ব্যাটিং করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খোলস ছেড়ে বের হন। এরপর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে হায়দরাবাদকে এনে দেন লড়াই করার মতো স্কোর। ক্যারিবিয়ান হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান ২৯ বলে খেলেন হার না মানা ৪৩ রানের ইনিংস, বিধ্বংসী ইনিংসটি সাজান ১ চার ও ৪ ছক্কায়।

ব্রাথওয়েট ছাড়া হায়দরাবাদের আর কোনও ব্যাটসম্যান সুবিধা করতে পারেননি। ইনিংসের প্রথম বলেই ফিরে যান শিখর ধাওয়ান। আরেক ওপেনার শ্রীভাতস গোশ্বামী চেষ্টা করলেও ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। শুরুর ওই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত অবশ্য দিয়েছিলেন কেন উইলিয়ামসন। চলতি আইপিএলে ব্যাটে রীতিমত বসন্ত চলা হায়দরাবাদ অধিনায়ক আশা জাগিয়েও পারেননি, ১৫ বলে ২৪ রান করে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে।

ব্যাটিং অর্ডারে ‘প্রমোশন’ পেয়ে পাঁচ নম্বরে নেমেছিলেন সাকিব আল হাসান। বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করায় নতুন আশাই জাগিয়েছিলেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। কিন্তু লেগ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে ১০ বলে ১২ রান করে ধরা পড়েন তিনি উইকেটরক্ষক মহেন্দ্র সিং ধোনির গ্ল্যাভসে।

মনীশ পান্ডে নিশ্চিতভাবে ভুলে যেতে চাইবেন এবারের আইপিএল। কোয়ালিফায়ারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও পুরোপুরি ব্যর্থ এই ব্যাটসম্যান, ১৬ বলে করেন মাত্র ৮ রান। এরপর ইউসুফ পাঠান ২৯ বলে ২৪ রান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে হায়দরাবাদের রান ১৩৯ পর্যন্ত যাওয়ার পেছনে। ক্রিকইনফো

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত