প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারের মাদকবিরোধী অভিযান পদ্ধতির সমালোচনায় বিশেষজ্ঞরা

সাজিয়া আক্তার: মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর শক্ত অবস্থান ঘোষণার পরে অভিযান শুরু করেছে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী। মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও পদ্ধতির সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ। তারুণ্য মানেই সম্ভাবনা, কিন্তু সেই তরুণদের অনেকেই বোধ মাদকের নীল ধোঁয়ায়। কোনো ভাবেই যেনো ঠেকানো যাচ্ছে না তা। যাদের বাঁধা দেয়ার কথা তাদেরেই অনেকেই মাদকে জড়িয়ে পরছেন মাদক ব্যবসায়। এমন অবস্থায় মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্ঠে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। এর পরেই অভিযান শুরু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর।

র‌্যাবের তথ্য বলছে, গত ৪ থেকে ২০ এ মে পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযান হয়েছে ৫২৪ টি। যাদের মধ্যে গ্রেফতার ৫৪৭ জন, আর জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমান হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা, ফেন্সিডিল ও দেশি-বিদেশি মদ। যার বাজার মূল্য ২৮ কোটি টাকার বেশি।

এসময় র‌্যাবের সাথে কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন ১৩ জন সন্দেহবাজন মাদক ব্যবসায়ী। পুলিশের অভিযানেও প্রাণ গেছে প্রায় সমান সংখ্যক।

মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর মনোভাব প্রশংসা কুড়ালেও প্রশ্ন উঠেছে নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি নিয়ে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেন মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত আইন করবেন, আমরা সকলেই এটাকে সাধুভাগ জানাই। যদি কোনো রাষ্ট্র বা সমাজ দাবি করে সেখানে নূন্যতম গণতন্ত্র রয়েছে সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক এই মাদক নিয়ন্ত্রণের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-কে পরিচালনাকে পরিচালনা করা কোনো ক্রমেই তার স্থান থাকতে পারে না। প্রধানমন্ত্রীর যে নির্দেশনা তা সম্পূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়া রহমান বলেন, এখানে যে স্টোক হোল্ডার আছে প্রত্যেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। আমরা শুধুমাত্র বন্দুক যুদ্ধের মাধ্যমে সাময়িক সন্তুষ্টি লাভ করতে পারবো। প্রকৃত পক্ষে এর কোনো সত্যিকারে মূল্য থাকে না।

তাদের দুজনেই জোড় দেন রাজনৈতিক ছত্রছায়া থেকে মাদকের গডফাদারদের বিচারের আওতায় আনার।

সূত্র: চ্যানেল ২৪ টেলিভিশন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত